বয়সের পার্থক্য ১৪ বছর! তবুও এই তাসের দেশে দিব্যি ভালোবেসে চলেছেন একে অপরকে!

টলিউড (Tollywood) হোক বা বলিউড (Bollywood), বিনোদন জগতে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে স্ত্রীর থেকে স্বামী বেশ বড়। কখনও কখনও সেই বয়সের ফারাক পৌঁছেছে প্রায় ২৬-২৭ বছর পর্যন্ত। টলিউডের কাঞ্চন মল্লিক- শ্রীময়ী চট্টরাজ, দীপঙ্কর দে-দোলন রায়, সুদীপ মুখার্জী- পৃথা চক্রবর্তী সহ এমন অনেক বাঙালি অভিনেতা রয়েছেন যাদের বয়সের ফারাক তার স্ত্রীর সঙ্গে অনেকটাই বেশি।

তবে কিছু ক্ষেত্রে আবার উল্টোটাও ঘটতে দেখা গিয়েছে। অর্থাৎ স্ত্রী তাঁর স্বামীর থেকে বড়। আর এমন একটি জুটির অন্যতম বড় উদাহরণ হলেন সোহিনী সেনগুপ্ত এবং জীবনসঙ্গী অভিনেতা সপ্তর্ষি মৌলিক। অভিনেত্রী সোহিনী সেনগুপ্তর থেকে বয়সে প্রায় ১৪ বছরের ছোট স্বামী সপ্তর্ষি মৌলিক। তবে বয়সের ব্যবধান ভালোবাসায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি কখনও। বর্তমানে দুজনেই প্রতিষ্টিত বাংলা বিনোদন জগতে। তবে একে অন্যের সঙ্গে তারা ভীষণ ভালো থাকলেও অনেক সময় তাঁদের কটাক্ষের মধ্যে পড়তে হয়েছে। কিন্তু সেসবকে উপেক্ষা করেও তাঁরা একসঙ্গে ফাটিয়ে বাঁচছেন।

Bengali actor, Bengali actress, Bengali Cinema, Bengali serial, Bengali television, Saptarshi Moulik, Sohini Sengupta, Tollywood, টলিউড, বাংলা টেলিভিশন, বাংলা ধারাবাহিক, বাংলা সিনেমা, বাঙালি নায়ক, বাঙালি নায়িকা, সপ্তর্ষি মৌলিক, সোহিনী সেনগুপ্ত

সপ্তর্ষির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী সোহিনী সেনগুপ্ত

সম্প্রতি অভিনেত্রী একটি জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমের সামনে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। সেখানেই অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন তাঁরা একে অন্যকে ভালোবাসার পর বদলে যাননি। অভিনেত্রীর মতে, “মিল ছিল বলেই প্রেমটা হয়েছে। নইলে আর কেন প্রেমটা হবে। আর একে অন্যকে ভালোবেসেছি বলেই রাতারাতি বদলে গিয়েছি সেটাও নয়।”

অভিনেত্রী বলেছেন তার শ্বশুরবাড়ির সকলের ভীষণ খোলা মনের মানুষ। নিজের শ্বশুরমশাইয়ের সম্পর্কে বলতে গেলে একটা গোটা ইন্টারভিউ চলে যাবে এমনটাই বলেছেন তিনি। সঙ্গে অভিনেত্রী জানিয়েছেন প্রেমিক সপ্তর্ষি মালিককে বিয়ের অনুমতি প্রথমে দিয়েছিলেন অভিনেত্রীর ঠাকুমা শাশুড়ি অর্থাৎ অভিনেতা সপ্তর্ষি মৌলিকের ঠাকুমা! হ্যাঁ তেমনটাই জানালেন অভিনেত্রী।

অভিনেত্রী সোহিনী সেনগুপ্তকে কী বলেছিলেন সপ্তর্ষি মৌলিকের ঠাকুমা?

আরও পড়ুন: ইয়ালিনীকে প্রকাশ্যে না আনার কারণ জানালেন শুভশ্রী! শুনে শিহরিত দর্শক

এদিন সোহিনী সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, “আমি ওর ঠাম্মাকে গিয়ে বলেছিলাম আমরা না ভেবেছি বিয়ে করব। ও তো আমার থেকে অনেকটাই ছোট। ভেবেছিলাম বাড়ির অমত থাকবে হয়তো। ওমা। উল্টে উনি আমায় বললেন আমার মায়ের মা ফরিদপুরে ওমেন্স ম্যাগাজিন চালাতেন। আমি সেই বাড়ির মেয়ে, তাই এসব উল্টো পাল্টা কথা বলবে না। যদি ভালবাসা থাকে তাহলে বিয়ে করো। কিন্তু কাল যদি হঠাৎ মনে হয় একে অন্যকে ভালো লাগছে না, ছেড়ে দিলাম সেটা করো না।”