দীপার সাথে অসভ্যতামি? ঋত্বিককে চ’ড়িয়ে লাল করে দিল দীপা!

শ’য়তানি করতে গেলে চালাক হতে হয়। চালাকি না জানলে শ’য়তানি করা যায় না। এদিকে একটা চরম বোকার হদ্দ স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের এক নেতিবাচক চরিত্র এবং নায়িকা দীপার সহপাঠী ঋত্বিক। শয়তানি করতে গিয়ে নিজের জালে নিজেই ফেঁসে গেল সে। বর্তমানে বেশ জমে উঠেছে ধারাবাহিকের পর্ব গুলি।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, একদিকে পরিচয় গোপন করে সূর্যের স্মৃতি ফেরানোর দায়িত্ব অন্যদিকে ডাক্তারি পড়তে গিয়ে সেখানে সফলতা পাওয়ার তারনা এই দুই কাজে বর্তমানে ভীষণ রকম ভাবে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। সূর্যের কাছে দীপা থেকে দীপান্বিতা হয়ে যাওয়ার কষ্টটা মেনে নিতে পারছে না সে। তাই তাড়াতাড়ি আবার দীপান্বিতা থেকে সূর্যের কাছে দীপা হয়ে উঠতে চায় ধারাবাহিকের নায়িকা। প্রত্যেকবার প্রতিনিয়ত সেই চেষ্টাই করে চলেছে ধারাবাহিকের নায়িকা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, একটু একটু করে পুরনো অনেক কিছুই মনে পড়ছে সূর্যর। কিন্তু সূর্য সেগুলোকে স্বপ্ন ভেবে গুলিয়ে ফেলছে। যেহেতু তার মনে নেই যে তার সাথে পূর্বে ঠিক কি কি ঘটনা ঘটেছে, তাই সেই ঘটনার ঝলক সামনে এলেই সেগুলোকে স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে তার। আবার মাঝে মাঝে সূর্য বুঝতে পারছে এগুলো নিছক কোন স্বপ্ন নয়। এর পেছনে কিছু না কিছু গন্ডগোল আছে। এটা স্বপ্ন হয়েও ভীষণ রকম সত্যি। দীপা বুঝতে পারে এইবার বিষয়টা নিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে হবে।

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১২ আগষ্ট (Anurager Chowa Today Episode 12 August)

ঋত্বিককে টেনে একটা চ’ড় মারল দীপা

এদিকে রাত্রিবেলা পড়াশোনা করে পরীক্ষার সমস্ত প্রস্তুতি নেয় দীপা। মাঝে মাঝে অমনোযোগী হয়ে উঠলে দীপাকে সামলায় লাবণ্য। এক্কেবারে নিজের মায়ের মতন দীপার সাথে জেগে বসে থাকে লাবণ্য। নিজের ছেলের বেলায় লাবণ্য ঠিক যেগুলো করেছে এবারেও ঠিক সেই সবই করে। সকাল হতেই সবাইকে প্রণাম করে কলেজে চলে যায় দীপা। সেখানে দীপার পেন্সিল বক্স নিয়ে নেয় ঋত্বিক। আর তারপরেই শুরু করে অ’সভ্যতামি। কিছুতেই দীপার পেন্সিল বক্স ফেরত করতে চায় না ঋত্বিক। তারপরেই দুম করে দীপার হাত ধরে ফেলে ঋত্বিক। আর তারপর দীপাকে বলে, “বয়সে বড় মেয়েদের নাকি তার ভীষণ ভালো লাগে।”

এটা শুনে নিজে রাগ সামলাতে পারে না দীপা, সে সজরে এক চড় কষিয়ে দেয় ঋত্বিকের গালে। আর এটা নিয়েই ঝামেলা করা শুরু করে ঋত্বিক। ডেকে আনে পুলিশ। বাবার ক্ষমতার আবারো অপপ্রয়োগ করে সে। পুলিশ অফিসার দীপাকে তাদের সাথে যেতে বলে। তার অপরাধ হলো সে শারীরিকভাবে নি’র্যাতন করেছে ঋত্বিককে। কিন্তু দীপা বলে, সে যে কিছু করেনি সেটা প্রমাণ করার জন্য তাকে কোথাও যেতে হবে না। সিসিটিভি ফুটেজেই সবটা প্রমাণ হয়ে যাবে। তারপর প্রিন্সিপাল স্যারের কম্পিউটারে চালানো হয় সেই সময়কার ফুটেজটি। মুখ শুকিয়ে যায় ঋত্বিকের।