নতুন শুরু হওয়া ধারাবাহিক গুলির তালিকায় ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho) দর্শকের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। ধারাবাহিকে হানি (Honey Bafna) এবং সোনামনির (Sonamoni Saha) নতুন জুটি দর্শকের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে অল্প সময়ের মধ্যেই। এই ধারাবাহিকের হাত ধরে দীর্ঘ অনেকদিন পরেই অভিনয় জগতে ফিরলেন সোনামণি (Sonamoni Saha) এবং হানি (Honey Bafna) দুজনেই।

এই ধারাবাহিকের বিষয়বস্তু বাকি ধারাবাহিকগুলির থেকে একটু আলাদা। এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যায় খুবই অসাধারণ একটি বার্তা। একজন ডিভোর্সি মেয়ে যে সব সময় খারাপ হয় না কিংবা তার যে নতুন করে বাঁচতে ইচ্ছে করে সেটাই ধারাবাহিককে তুলে ধরা হচ্ছে। এছাড়া ধারাবাহিক নানান রকম টুইস্ট তো রয়েছেই। প্রতি সপ্তাহতে নানান রকম টুইস্টের মাধ্যমে ধারাবাহিকের গল্প এগোচ্ছে। টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো ফলাফল করছে এই ধারাবাহিক। গতকালের পর্বে ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে পরিবারের থেকে আলাদা হওয়ার পরে নিজের চিলেকোঠার ঘরেই গণেশ চতুর্থীতে গণেশ পূজার আয়োজন করেছে সুধা। নিজের মতো করে গণেশ মূর্তি বানিয়ে পুজোর আয়োজন করেছে সবকিছু। অন্যদিকে বসু মল্লিক পরিবারের গজনন পূজোতে বাঁধা পড়েছে ত্বরিতার কারণে।
শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ১৩ সেপ্টেম্বর (Shubho Bibaho Today Episode 13 September)
আর ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হতে চলেছে গজাননের পূজোতে বাঁধা পড়ায় ঠাকুর মশাই স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আজকে কোন মতেই বাড়িতে গণেশ পূজো করা যাবে না। পরে ভালো সময় দেখে তিথি থাকার সাথে সাথে পুজো করতে হবে। সেই সময় হঠাৎ করে সুধার ঘর থেকে ভেসে আসে উলু শঙ্খ ধ্বনির শব্দ। সেই শব্দ শুনে সকলেই বুঝতে পারে সুধার ঘর থেকেই হয়তো এই পুজোর আয়োজনের আওয়াজ আসছে। আর এদিকে ত্বরিতা নিজেরই দোষেই এত বড় একটা সুযোগ পেয়ে হাতছাড়া করে। সুধার ঘর থেকে ঘন্টার আওয়াজ পেয়ে সকলেই সেই ঘরে গিয়ে উপস্থিত হয়। সেখানে গিয়ে সকলে অবাক হয়ে যায়। এই অল্প সময়ের মধ্যে কি করে গণেশ ঠাকুরের পূজোর আয়োজন করেছে সুধা সেটা দেখে।
এরপর ঠাম্মি সুধাকে জিজ্ঞাসা করে তার কি করে এত বড় সাহস হয় কারো অনুমতি না নিয়েই পুজো করার। সুধা তখন ঠাম্মিকে স্পষ্ট জানায় পুজো করার জন্য ভক্তি আর মনের ইচ্ছে লাগে কারো অনুমতি লাগে না। এমনকি এত বছরে বসু মল্লিক পরিবারের গণেশ পূজোতে হাজির থাকেনি তেজের দাদু। তিনি পর্যন্ত সুধার আয়োজনে উপস্থিত হয়েছেন। তাকে দেখে রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছেন কাননবালা দেবী। অন্যদিকে এখানেও ত্বরিতা কি করে সুধাকে বিপদে ফেলে যায় তার ফন্দি আটতে থাকে। প্রদীপ জ্বালানোর জন্য যাতে তেল খুঁজে না পায় তার জন্য তেলের শিশি সরিয়ে দেয় সে।
আরও পড়ুন: মাকে খুঁজতে একাই বেরিয়ে পড়েছে রুপা! সোনার দেওয়া আঘাতে শেষ হয়ে যাচ্ছে দীপা!
যদিও সুধাকে আটকাতে পারেন না। সুধা নিজের বুদ্ধির জোরে প্রদীপ জ্বালিয়ে দেখায় সকলকে। সকলেই সুধার বুদ্ধি দেখে অবাক হয়ে যায়। এরপরে সকলে সেখান থেকে নিচে চলে আসে, সকলকে পূজার প্রসাদ দেয় সুধা। এরপরই হঠাৎ তেজের ঠাকুমা গনেশ ঠাকুরের জন্য আনা সোনার মুকুটের খোঁজ করতে থাকে। তখনই সুধার ঘরে গিয়ে দেখা যায় সুধার গয়নার বাক্সে ঠাকুরের গয়না সহ সুধার কোন গয়না নেই। একটা বিপদ কাটতে না কাটতে নতুন বিপদের মুখে পড়ল সুধা। অন্যদিকে চিরকুট যে ত্বরিতাকে চুরি করতে দেখে নিয়েছে সেটা ত্বরিতা নিজেও বুঝতে পারে না। তাই বাড়িতে পুলিশ ডাকার কথা বলে সে। এবার দেখার অপেক্ষা সুধা কি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবে? আর ত্বরিতা যে চুরি করেছে সেই সত্যিটা কি সামনে আসবে?





