বর্তমানে গোটা কলকাতা শহর আরজি কর কান্ডে (R.G Kar Case) শোকের ছায়ায় নিমজ্জিত। গত দু মাস ধরে একই পরিস্থিতি রয়েছে শহরের। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাদেই দুর্গা পুজো তবে। তবে এ বছর পুজোর কোন আমেজই নেই শহরে। পুজো তো ঠিকই হচ্ছে কিন্তু মানুষের মন মেজাজ ভালো নেই, আনন্দ করার মতো পরিস্থিতি কোনটাই নেই। সবকিছু চারিদিকে কেমন নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। কত মানুষ প্রতিদিন বিচারের পথ চেয়ে রয়েছে। প্রতিবাদ মিছিলে হাঁটছে এখনো। যতদিন না পর্যন্ত নারীদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা হবে ততদিন হয়তো এই আন্দোলন প্রতিবাদ কিছুই থামবে না।
এরই মাঝে টলিপাড়ায় নেমে এলো শোকের ছায়া। আরজি কর কাণ্ডের পরপরই টলিউডের নানান ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন দর্শক। তবে এবার আরো এক দুঃসংবাদ শোনা গেল ইন্ডাস্ট্রিতে। জনপ্রিয় অভিনেত্রীর সাথে ঘটে গেল অপ্রতশিত দুর্ঘটনা। ধারাবাহিক জগতে বেশ জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী হলেন সুভদ্রা মুখার্জি। তার জীবনে নেমে এলো শোকের ছায়া। পুজোর আগেই যে অভিনেত্রীর সাথে এই ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটবে তা কেউ ভাবতেও পারেননি।
দীর্ঘ অনেক বছর ধরেই ধারাবাহিক জগতের সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন চ্যানেলে, বিভিন্ন ধারাবাহিকে বিভিন্ন চরিত্রে ধরা দিয়েছিল অভিনেত্রী। কখনো পজিটিভ চরিত্রে আবার কখনো নেগেটিভ চরিত্র দেখা মিলেছে তার। যদিও পজেটিভ চরিত্রের সংখ্যাই তার বেশি। মা, মাসিমা, জেঠিমা, কাকিমা, শাশুড়িমা এই ধরনের চরিত্রে অভিনেত্রীকে বারবার দেখে এসেছেন দর্শক। আর অভিনেত্রীর অভিনয়ের জন্য তাকে দিয়েছেন বিপুল পরিমাণ ভালোবাসা।
বাস্তব জীবনেও অভিনেত্রী বেশ হাসিখুশি, প্রাণ খোলা একজন মানুষ ছিলেন। তবে অভিনেত্রীর জীবনে হঠাৎই এই ধরনের ঘটনা ঘটবে তা কেউই ভাবতে পারেনি। পুজোর আর বাকি মাত্র কয়েকটা দিন, রাত পোহালেই কাল মহালয়া। তার আগেই নিজের জীবনের সবথেকে বড় দুঃসংবাদটা পেলেন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুনঃ একজোট ননদ-বৌদি! ঠাম্মির ফাঁদে ঠাম্মিকে ফেলে সব বেড়াজাল ভেঙে দিল সুধা!
সোমবার সকালেই স্বামী ফিরোজকে হারান অভিনেত্রী সুভ্রা। খবরটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন অভিনেত্রী সোহিনী গুহ রায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গত সোমবার সকালেই সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়ের স্বামী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় অভিনেত্রীর স্বামী ফিরোজের বয়স হয়েছিল ৬০ এর কাছাকাছি। অভিনেত্রী সোহিনী জানিয়েছেন যে সুভদ্রার স্বামী আমহেদাবাদের ব্যবসায়ী, কর্মসূত্রে তিনি থাকতেন মুম্বইতে। কাজের ফাঁকে প্রায়ই কলকাতায় আসতেন পরিবার বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটাতেন। শনিবারও তেমনই শহরে এসেছিলেন তিনি, রবিবার সারাদিন বন্ধুদের সঙ্গে কাটান। এরপর সোমবার সকালে ঘুমের মধ্যে সম্ভবত হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন তিনি।





