দিদি নম্বর ওয়ানের মঞ্চে পা দিয়েই বাজিমাত! সবজি কাটা থেকে ডবল এম.এ হাত ছাড়াই কেবল পা দিয়েই করেছেন

শুধু সিরিয়াল নয় তার সাথে গোটা বাংলা জুড়ে এখন দারুন জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো হল জি বাংলার (Zee Bangla) দিদি নাম্বার ওয়ান। অভিনেত্রী রচনা বন্দোপাধ্যায়ের (Rachna) অনবদ্য সঞ্চালনা এই অনুষ্ঠানে এনে দিয়েছে এক আলাদা মাত্রা। সারা সপ্তাহজুড়ে চলতে থাকা মজার এই গেম শোতে অংশগ্রহণ করেন সেলিব্রেটি থেকে সাধারণ মানুষ সকলে।

জীবনে চরম কঠিনতম পরিস্থিতি গুলোতে লড়াই করে জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজির হন প্রত্যেকে। গেম শোতে অংশগ্রহণ কারীদের বাস্তব জীবনের লড়াই করার ঘটনা অনুপ্রাণিত করে অসংখ্য দর্শকদের। একথা ইতিমধ্যেই এই শোতে এসেই স্বীকার করে নিয়েছেন একাধিক প্রতিযোগিরা। তাই তাদের জীবনের দুঃখ, কষ্ট, সহ না পাওয়া গুলোকে ভুলে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার মনোবলকে দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চ থেকেই কুর্নিশ জানায় জি বাংলা।

একাধিক অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা ও প্রচুর উপহার নিয়ে দিনে দিনে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে যাচ্ছে এই শো। তেমনই গতকালই দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে নিজের মায়ের সাথে এসেছিলেন এক প্রতিবন্ধী তরুণী সরস্বতী মাহাতো। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে সরস্বতীর হাত হয়তো ঠিকভাবে কাজ করে না। কিন্তু তাঁর অসম্ভব মনের জোরের কাছে হার মেনেছে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা।

তাই শুধুমাত্র দুটো পা দিয়েই যাবতীয় সমস্ত কাজ করে ফেলেন এই তরুণী। দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চেও এদিন হাতেনাতে তার প্রমাণও মিলল। তাই সকলের সামনে অন ক্যামেরাই দুই পায়ের সাহায্যে বঁটি দিয়ে অনায়াসেই টমেটো, ঢ্যাঁড়স এবং গাজরের মত সবজি কেটে দেখিয়ে দিয়েছেন সরস্বতী।

এর মাঝে থেমে থাকিনি তার পড়াশোনা। নিজের অদম্য জেরে হাসিল করেছেন সবকিছুই। এই প্রতিবন্ধকতার মধ্যেই ডবল এমএ করেছেন এই তরুণী। এছাড়া এদিন মঞ্চে উপস্থিত অনান্য দিদিদের পিছনে ফেলে দিয়ে সরস্বতীই হয়েছেন ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’-এর বিজয়ী। অন্যদিকে মঞ্চে তাঁর মতো সত্যিকারের একজন দিদি নাম্বার ওয়ানকে কুর্নিশ জানাতে দেখে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন দর্শকরাও।

কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন ‘আপনাদের মতো দিদিরা সত্যি সত্যিই ইন্সিপিরেশান। আপনাদের মতো মানুষরা এই প্ল্যাটফর্ম ডিসার্ভ করেন। কিন্তু যারা ন্যাকামি করতে আসে দেখলেই রাগ উঠে যায়!’ আবার কেউ লিখেছেন ‘পা দিয়ে আনাজ কাটছেন এখানে সেটা বড়ো ব্যাপার না। উনি যে প্রতিকূলতা গুলিকে জয় করেছেন এটাই আসল ব্যাপার। থেমে না থেকে এগিয়ে যাওয়া’।