অবশেষে সোনা রুপার ডিএনএর সাথে সূর্যের ডিএনএ ম্যাচ করে গেলো, তবে কি সব রাগ অভিমান ভুলে দীপার দুই সন্তান কে মেনে নেবে সূর্য?

বর্তমানে স্টার জলসা চ্যানেলের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং জনপ্রিয় ধারাবাহিকটি হলো সবার প্রিয় অনুরাগের ছোঁয়া। শুরু থেকেই ধারাবাহিক তার দর্শকদের ভরপুর মনোরঞ্জন দিয়ে আসছে। এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের প্রধান আকর্ষণ হল নায়ক এবং নায়িকার দুই যমজ সন্তান সোনা এবং রুপা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী কি করবে কিছু বুঝতে না পেরে রাগে পাগল হয়ে মিশকার বাড়ি চলে যায় সূর্য। সূর্য বলে তোর কাছে একটা অনুরোধ ছিল, সোনার এই অবস্থা আমি দেখতে পারছি না। তোকে আমার একটা সাহায্য করতে হবে। তখন সূর্যের সুরে সুর মিলিয়ে মিশকা বলে এইসব কিছুর জন্য দীপা দায়ী। আমিও সোনার এমন অবস্থা আর দেখতে পাচ্ছি না।

সূর্য তখন বলে তোকে সোনার আসল মা-বাবাকে খুঁজে বার করতে হবে। মিশকা জানে সোনার আসল বাবা হলো সূর্য। কারণ সূর্যের ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট দেখেছে সে। কিন্তু সূর্যকে সে কিছুই বলে না। মিশকা বলে, সব কিছু দীপার জন্য হচ্ছে, ওকে আমি একদম বিশ্বাস করি না। আমায় একটু সময় দে, আমি দেখছি কি করা যায়।

অন্য দিকে সেনগুপ্ত বাড়িতে মহা বিপদ। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার সোনা। বাড়ির লোকজন কি করবে সেটা ভেবে পায়না। সবাই মিলে ঠিক করে সোনাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। তার আগে খবর দিতে হবে সূর্যকে। সূর্যকে খবর দেওয়ার কথা উঠতেই প্রবীর বলে ওকে কিছু জানানোর দরকার নেই। যা হচ্ছে সব ওর জন্যই হচ্ছে। আগে সোনা দিদি ভাইকে হসপিটালে ভর্তি করতে হবে।

হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যায় সোনা খবর পেয়ে ছুটে আসে সূর্য। সোনার কাছে যেতেই সোনা সূর্যকে বলে আমার মাকে এনে দাও ডাক্তারবাবু। সোনার মুখে আবারও সেই ডাক্তার বাবু ডাকটা শুনে ক্ষত বিক্ষত হয়ে যায় সূর্য। আর দীপার প্রতি মনে মনে আরো অনেক বেশি প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে ওঠে। অন্যদিকে দীপাকে নিতে তার বাড়িতে পৌঁছে যায় লাবণ্য ও প্রবীর। তারা দীপাকে সোনার অবস্থা সম্পর্কে সব জানায়। তারপর বলে তোমরা সেনগুপ্ত বাড়িতে থাকবে। দীপা বলে কিন্তু ডাক্তার বাবু? লাবণ্য বলে সূর্যকে সামলানোর দায়িত্ব আমার। শুরু হতে চলেছে দীপার নতুন যাত্রা। ঘুরতে চলেছে গল্পের মোড়। এবার কি তবে প্রমাণ হয়ে যাবে আসল সত্যিটা?