প্রথম দিনেই কিস্তি মাত! যথার্থ প্রমাণ দিয়ে চন্দ্রর কীর্তিকলাপ ফাঁস করল কমলিনী!

স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক চিরসখা এখন জমজমাট কোর্টরুম ড্রামায় পরিণত হয়েছে। একের পর এক চমক, আর উত্তেজনায় টান টান করে রেখেছে দর্শকদের। অপরাজিতা ঘোষ দাস এবং সুদীপ মুখার্জি—এই দুই তারকা প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ছোটপর্দায় জুটি বেঁধে মন জয় করে নিয়েছেন।

গতকালকের পর্বে যা দেখানো হলো, তা যেন একটা সিনেমার ক্লাইম্যাক্স! কোর্টে হাজির কমলিনী, তার ননদ, ছেলে-মেয়েরা—সবাই! আর সেখানে এসেই ধরা পড়ে এক বিরাট চালাকি। চন্দ্র যে উকিলকে নিয়োগ করেছিল, সে আদতে কমলিনীর ননদের স্বামী! মানে, পুরো প্ল্যান করে এই মামলা সাজানো হয়েছে। কুর্চি দেখে চমকে যায়—এ কেমন পরিবার! এরপর একে একে হাজির হয় কমলিনীর মা-বাবা, কাকা, দাদা… সবাই। শুধু ‘নতুন’ আসে না। সকলের মনে তখন একটাই প্রশ্ন—নতুন কোথায়? মামলার শুরু ঠিক আগেই নতুন এসে উপস্থিত হয়, আর যেন নাটক জমে যায় দ্বিগুণ।

Chirosokha, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Television, New episode, Chirosokha Today's 23 July Episode, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, চিরসখা, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, নতুন এপিসোড, চিরসখা ২৩ জুলাই পর্ব, অপরাজিতা ঘোষ দাস, সুদীপ মুখার্জী

আজকের এপিসোডে কাহিনি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। চন্দ্র এবার সংসার করতে চায় বলে দাবি করে, আর এই দাবি তুলেই আবার রুদ্রর মনে নিজের জায়গা বানানোর চেষ্টা চালায়। বর্ষাও তাতে ঢালছে আগুনে ঘি। কমলিনীকে হেয় করে নানা কথা বলে তাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।

ডিভোর্স কেস শুরু হতেই চন্দ্রর উকিল নিজের মতো করে গল্প সাজিয়ে বিচারকের সামনে উপস্থাপন করে। বলেন, চন্দ্র নাকি কাজের সূত্রে মেঘালয়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, স্মৃতি হারিয়েছিল, আর তারপর ছিল এক হোমে। সেখানেই তার পরিচয় হয় সোহিনীর সঙ্গে। এরপর যখন স্মৃতি ফেরে, তখন সে আবার বাড়ি ফিরে আসে—কিন্তু স্ত্রী তাকে মেনে নিতে চায় না। এমনকি, তার স্ত্রীর নাকি অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কও আছে!

এই সব শুনে মনে হচ্ছিল যেন চন্দ্রর পক্ষেই রায় যাবে, কিন্তু… টুইস্ট! ঠিক তখনই কমলিনীর উকিল এক মোক্ষম চাল চেলে দেন—সোহিনীর লেখা একটি চিঠি পেশ করেন কোর্টে। যেখানে স্পষ্ট বোঝা যায় চন্দ্র ও সোহিনীর সম্পর্ক ঠিক কী ধরনের ছিল। শুধু তাই নয়, চন্দ্র যে বিস্ফোরণের গল্প ফেঁদেছে, সেই দিন কোনও বিস্ফোরণই ঘটেনি—এই তথ্য-প্রমাণও হাজির করেন তিনি।

চিঠি পড়ে শোনানো মাত্রই চন্দ্রর মুখ শুকিয়ে যায়। বোঝা যায়, এবার সত্যিই সে ফাঁসতে চলেছে। আদালতের মধ্যে এই চিঠিই এখন সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আগামী পর্বে দেখা যাবে—এই প্রমাণের পর আদালতের রায় কোন দিকে যায়। চন্দ্র কি পারবে নিজেকে বাঁচাতে? নাকি এবার সত্যি ফাঁসবে তার মুখোশ?

এমন টানটান উত্তেজনার পর্ব মিস করলে কিন্তু আফসোস থেকেই যাবে!