বর্তমানে স্টার জলসার (Star jalsha) একটি অন্যতম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager Chowa)। প্রত্যেক সপ্তাহে টিআরপি টপার হয় এই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার সাহস কোনো মেগা সিরিয়ালের নেই। যতগুলি সিরিয়াল এই ধারাবাহিকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সম্প্রচারিত হয়েছে প্রত্যেকটিকেই স্লট হারা করে ছেড়েছে অনুরাগের ছোঁয়া। বর্তমানে ধারাবাহিকের প্রধান আকর্ষণ নায়ক নায়িকার দুই জমজ সন্তান সোনা এবং রুপা।
সম্প্রতি গল্পে যা দেখা যাচ্ছে
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, মিশকাকে শায়েস্তা করতে প্ল্যান করে দীপা। তারা সবাই মিলে মিশকার একটা ছবি আর তার বায়োডাটা নিয়ে বিয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দেয়। আর তার পরের দিনই মিশকার বাড়ির সামনে জমে যায় ছেলেদের ভিড়। একের পর এক ফোন ঢুকতে থাকে তার ফোনে। এসবের মাঝে পড়ে নাজেহাল হয়ে যায় মিশকা। কিন্তু এর জন্য এবার মহা ফ্যাসাদে পড়তে হলো প্রতীককে। দীপার প্ল্যানে সাথ দিয়ে বিপদের মুখে সূর্যর কাকাই।
এ দিনের পর্বে দেখা যায় পুজোতে ব্যস্ত সেনগুপ্ত বাড়ি। কেউ সূর্যকে বাড়ি ছেড়ে নড়তে দেয় না। অন্যদিকে মিশকা সূর্যের অপেক্ষা না করে নিজেই থানায় চলে যায় কমপ্লেন করতে। সেখানে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথাবার্তা বললে পুলিশ তাকে আশ্বাস দেয় খুব তাড়াতাড়ি যে এটা করেছে তাকে খুঁজে বার করবে। এরপর সেনগুপ্ত বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ আর সবার সামনে দিয়েই তুলে নিয়ে যায় প্রতীক সেনগুপ্ত অর্থাৎ সূর্যের কাকাইকে।
কিন্তু গল্পে রয়েছে আসল টুইস্ট
কাকাইকে থানায় নিয়ে আসার আসল কারণটা জানার পর অবাক হয়ে যায় সূর্য আর মিশকা। পুলিশ অফিসার প্রতীকে জিজ্ঞাসা বলে, তার আইপি অ্যাড্রেস দিয়েই এই বিজ্ঞাপনটা পোস্ট করা হয়েছে। এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তার কোন ফোন চুরি হয়েছে কিনা অথবা কোন আইডি হ্যাক করা হয়েছে কিনা। তখন কাকাই দুটোতেই না বলে পুলিশও অবাক হয়ে যায়। কাকাই বলে সে সবটা জেনে বুঝেই করেছে।
আর তারপরেই ঘুরে যায় খেলা। কাকাই পুলিশ অফিসারকে বলে “মিশকা আমার মেয়ের মতো, ওকে সেই ছোটবেলা থেকে দেখছি। বাবা হিসেবে তো একটা দায়িত্ব রয়েছে। ওতো নিজে আর এই দিকে এগোচ্ছে না তাই আমি ওর হয়ে একটু এগোলাম। জাতীয় তাড়াতাড়ি কাউকে খুঁজে পায়।” এমন একটা সিচুয়েশনে আর কিছুই বলতে পারল না মিশকা। হাসতে হাসতে সমস্ত বাকি উল্টে দিল কাকাই।





