স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক গৃহপ্রবেশ প্রতি পর্বে আনছে নতুন চমক। গতকালকের এপিসোডে দেখা গেল, শুভকে দিতে হবে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ, পেতে হবে এক গোপন চাবি। সে সন্ধ্যেবেলাই পৌঁছে যায় পিসি ঠাম্মির কাছে, তাও আবার বিনা অনুমতিতে! আর তাতেই রেগেমেগে আগুন পিসি ঠাম্মি। শুভকে একহাত নেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাগে এমনকি রাতের খাওয়ার ব্যবস্থাও করেন না—কে খাবে, কী খাবে, তার কোনও চিন্তাই করেন না তিনি!
তবে শুভ তো হাল ছাড়ার মানুষ নয়! কীভাবে এতগুলো মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করা যায়, সেই চিন্তায় ঘুরপাক খেতে খেতেই মাথায় আসে এক দুর্দান্ত আইডিয়া। বাড়ির সামনের খোলা জায়গায় নিয়ে যায় সবাইকে, জানায়, এখানেই হবে রাতের খাওয়া! প্রথমে সবাই তো ভাবল শুভ হয়তো মজা করছে, কিন্তু একটু পরেই বোঝা গেল সে পুরো প্ল্যান করেই এসেছে—দোকান থেকে কিছু জিনিস আনলেই হবে। সবাই মিলে রান্না করবে, হবে একেবারে মজাদার চড়ুইভাতি!
এই গোটা ঘটনাটা নজরে আসে পিসি ঠাম্মির, যখন তার সঙ্গী এক মেয়ে গিয়ে সব告ায়। তিনি অবাক হয়ে দেখেন—শুভ নিজে হাতে উনুনে রান্না করছে, সবাই মিলে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া চলছে। তখনই পিসি ঠাম্মির মনে প্রশ্ন—এই মেয়েটা কে আসলে? বিদেশে বড় হলে তো এসব জানার কথা না! শুভ তখন স্পষ্ট করে বলে—ওর শিকড় এদেশেই, বিদেশে বিয়ের পরে গেছে। পিসির মনে একটু নরম ভাব আসলেও, গল্প এখানেই শেষ নয়।
রাতের দিকে হঠাৎ শুভ দেখে বাড়ির সামনে একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে, কিন্তু সে পৌঁছনোর আগেই গাড়িটা সেখান থেকে চলে যায়। কেউ বুঝতে না পারলেও দর্শক জানে—ওই গাড়িতে বসে ছিল মোহনা! ওদিকে হঠাৎ চিৎকারে সিঁড়ি থেকে পড়ে যায় পিসি ঠাম্মি, মাথায় চোট। আদৃত ডাক্তার ডাকলেও, রক্তপাত বন্ধ করে শুভ তার ঘরোয়া টোটকায়! ডাক্তার প্রশংসাও করে শুভর উপস্থিত বুদ্ধির।
আরও পড়ুনঃ “দমদমে থাকত, আমি সাউথ কলকাতায় আনলাম, এখন আবার বড় বড় কথা বলে… আমি ছাড়া ও কিছুই নয়” — লোপামুদ্রার বিস্ফোরক মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন নেটিজেনরা!
শেষ দৃশ্যে দেখা যায়, সবাই ঘরে ফিরে গেলেও মোহনা কিন্তু পিছু হটেনি। সে আবারও ফিরেছে, এবার একেবারে বড়সড় কিছু করার ছক কষেই এসেছে! এত দূর অব্দি যখন পৌঁছেছে, তখন কিছু একটা করবেই সে। এখন দেখার, শুভ কি পারবে তার ‘লক্ষ্মণরেখা’ রক্ষা করতে? পরবর্তী এপিসোডেই মিলবে উত্তর!





