শিমুলের সামনে এলো সুচরিতার জীবনের অন্ধকার কাহিনী, স্বামী থেকেও নেই তার, কিন্তু কীসের টানে সে রয়েছে শ্বশুরবাড়িতে?

কিছুদিন হলো জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে শুরু হয়েছে এক নতুন ধারাবাহিক যার নাম কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। শুরু হওয়ার পর থেকেই স্লট লিড করেছে এই ধারাবাহিক। দর্শকদেরও বেশ পছন্দ হয়েছে ধারাবাহিকের গল্প। শুধুমাত্র সিরিয়ালের নায়িকা নয় বাস্তবের প্রায় প্রতিটি ক্ষরণের জীবন কাহিনীকেই তুলে ধরেছে এই ধারাবাহিক।

শিমুলের গল্প দিয়েই শুরু ধারাবাহিক

ধারাবাহিকের শুরুতেই হয়ে গিয়েছে শিমুলের বিয়ে। শিমুল মেয়েটি বরাবরই অভাগা। বাপের বাড়িতেও বৌদির মুখ ঝামটা শুনতে হয়েছে আর শ্বশুরবাড়িটাও শিমুলের যোগ্য নয়। কিন্তু বাবা হারা মেয়েটার এখানে থাকা ছাড়া আর এই সমস্ত কিছুকে মানিয়ে নেওয়া ছাড়া আর কোন গতি নেই। সেই বিয়ের দিন থেকে শুরু হয়েছে ঝামেলা আর তার শিমুলের শ্বশুরবাড়ি ঢোকার পরেও এখনো চলছে।

আজকের পর্বে যা ঘটবে

শিমুলের দেওর পলাশ কথায় কথায় নানান ভাবে শিমুলকে অপমানজনক ইঙ্গিত করলে শিমুল চুপ করে তা সহ্য করে না। সে পলাশকে বলে, “মা আমার থেকে বড় হন তাই আমি মাকে কিছু বলছি না যা বলছেন আমি চুপচাপ শুনে যাচ্ছি কিন্তু তুমি কি আমার থেকে সম্পর্কে ছোট। তুমি যদি আমাকে অপমান কর আমি কিন্তু তা মুখ বুজে শুনবো না। বৌদিকে যদি মায়ের মতন ভাবো তাহলে সম্মান করতে শেখো।” শিমুলের এই জবাবে অভিভূত দর্শক মহল।

অন্যদিকে দেখা যায় কনে যাত্রী যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে শিমুলের বাড়ির লোকজন। শিমুলের মা তখন ছোট বৌমাকে একটা শাড়ি দিয়ে বলে এই শাড়িটা তার বিয়ের শাড়ি শিমুলের খুব পছন্দ ছিল কিন্তু বিশেষ পড়তে পারেনি। তাই বিয়ের পর এটা তাকে দিচ্ছে তার মা। এই শাড়ি দেওয়া নিয়ে শিমুলের মায়ের সাথে তার বড় বৌদির লেগে যায় এক দ্বন্দ্ব। শিমুলের বড় বৌদি তার মাকে বলে, “যদি সমস্ত ভালো ভালো জিনিস নিজের মেয়েকেই দিয়ে দেন উনি তাহলে তার নাতনিদের জন্য কি রেখে যাবেন।” শিমুলের ছোট বৌদি এসে বিষয়টিকে সামাল দেয়।

শিমুলের সামনে সুচরিতার কাহিনী

এরপর দেখা যায় শিমুলকে রিসেপশনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু পার্লার থেকে কোন লোক আসেনি কারণ পার্লার থেকে লোক এসে যে শুনলে শিমুলের শাশুড়ি একেবারে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠবে। সেই সময়ে সবার কথোপকথনে উঠে আসে সুচরিতার স্বামীর কথা। আর শিমুল জানতে পারে সুচরিতার স্বামী অন্য একজনের সঙ্গে বাইরে থাকে। শিমুল বলে তাহলে কেন সে এখানে পড়ে রয়েছে? সুচরিতা জানায় “বাপের বাড়ি গেলেও সে বোঝা আর শ্বশুরবাড়িতেও বোঝা কিন্তু শ্বশুর বাড়ি থেকে অন্তত তাড়িয়ে দিতে পারবে না।” সুচরিতা আরো বলে, “তাই যখনই বিয়ে করবে দেখে শুনে করবে অনেক ভেবে চিন্তে করবে আমি তো ঠকেছি আর কাউকে যেন আমার মত ঠকতে না হয়।