জনপ্রিয় টিভি অভিনেতা আশিস কপূরকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির সিভিল লাইনস এলাকায়। অভিযোগকারিণীর দাবি, একটি হাউস পার্টির সময় অভিনেতা শৌচাগারে তাঁকে জোর করে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করেন।
ঘটনা অনুযায়ী, ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন আশিস কপূর, তাঁর এক বন্ধু, বন্ধুর স্ত্রী এবং আরও কয়েকজন। অভিযোগকারিণীর কথায়, তিনি ও আশিস কপূরের আলাপ হয়েছিল ইনস্টাগ্রামে। সেই সূত্রেই তিনি পার্টিতে যোগ দেন। পার্টির মাঝেই অভিনেতা তাঁকে শৌচাগারে নিয়ে যান এবং সেখানে জোরপূর্বক সম্পর্ক স্থাপন করেন। অভিযোগ আরও, পুরো ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছিল। যদিও এখন পর্যন্ত পুলিশ কোনও ভিডিও উদ্ধার করতে পারেনি।
অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন, বাথরুম থেকে বেরোনোর পর অভিনেতার বন্ধুর স্ত্রী তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই বন্ধুর স্ত্রী-ই PCR কল করেছিলেন। এফআইআরে প্রথমে আশিস কপূর, তাঁর বন্ধু, বন্ধুর স্ত্রী এবং আরও দু’জনের নাম ছিল। তবে পরবর্তীতে অভিযোগকারিণী বয়ান পরিবর্তন করে জানান, ধর্ষণের অভিযোগ কেবল আশিস কপূরের বিরুদ্ধেই।
ঘটনার পর গত ১১ আগস্ট সিভিল লাইনস থানায় প্রথম মামলা দায়ের হয়। পরে ১৮ আগস্ট আবারও একটি মামলা দায়ের করেন অভিযোগকারিণী। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, আশিস কপূর তাঁকে ধর্ষণ করেছেন এবং বন্ধুর স্ত্রী তাঁকে মারধর করেছেন। অন্যদিকে, ২১ আগস্ট অভিনেতার বন্ধু ও তাঁর স্ত্রীকে আগাম জামিন মঞ্জুর করে আদালত।
এদিকে, ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজ এবং উপস্থিত অতিথিদের বক্তব্যে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। দেখা গিয়েছে, আশিস কপূর ও অভিযোগকারিণী একসঙ্গে শৌচাগারে প্রবেশ করেছিলেন। দীর্ঘ সময় বাইরে না আসায় অতিথিরা দরজায় ধাক্কা মারেন। এরপরেই শুরু হয় তুমুল বচসা। সেই সময়েই নাকি অভিযোগকারিণীকে মারধর করা হয়।
আরও পড়ুনঃ টিআরপি তালিকায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! জি জলসার দ্বন্দ্বে এগিয়ে রইল কে? দেখে নিন টিআরপি তালিকা
অভিযোগ ওঠার পর থেকেই অভিনেতা পলাতক ছিলেন। অবশেষে পুলিশ তাঁকে পুণে থেকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে গোটা ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।





