বেশ কিছুদিন হল স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে কমলা ও শ্রীমান পৃথ্বীরাজ (Komola o Sriman Prithviraj)। আর পাঁচটা ধারাবাহিকের থেকে একেবারে অন্যরকম এই ধারাবাহিকের গল্প। দুই খুদে দম্পতির বৈবাহিক জীবন নিয়েই রচিত এই ধারাবাহিকের প্লট। তাদের নিত্য নতুন কাণ্ডকারখানায় মেতে থাকেন ভক্তরা।
বর্তমানে কমলা আর মানিকের জন্য নিজের লোভের শাস্তি পেয়েছে মানিকের পিসি আর পিসেমশাই। সব ঠাট বাট ঘুচিয়ে অবশেষে তাদের মাথা গুঁজতে আসতে হয়েছে মানিকের বাড়িতেই। কিন্তু আর আগের মতন পটের বিবি সেজে থাকতে পারবে না তারা। মানিকের ঠাকুরমার নির্দেশে বাড়ির সমস্ত কাজ করে খেটে খেতে হচ্ছে তাদের।
এইসবের জন্য কমলাকে দায়ী করছে মানিকের পিসি। তার কাছ থেকে যে সোনা ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এইবার কমলার কাছ থেকে সব সোনা সেই একইভাবে ছিনিয়ে নিতে চায় মানিকের পিসি। এবার সে একা নয় তার সাথে এসে জোট বেঁধেছে তার বৌমা। শাশুড়ি এবং বউমা মিলে একসাথে পড়েছে কমলার পিছনে। মানিকের পিসি তার বউমাকে কমলার গয়না এনে দিতে বললে সে কমলার অত্যন্ত প্রিয় পুতুলটা আনে তার কাছে এবং সেটাকে ভেঙেচুরে নষ্ট করে দেয়।
সে খুব ভালো করেই জানতো, কমলার কাছে সোনার গয়নার থেকেও অনেক বেশি দামি অনেক বেশি কাছের সেই পুতুলটা। শাশুড়ি বৌমার জোটে ভেঙ্গে গেল কমলার শিশু মন। কমলাকে এই অবস্থায় দেখে একেবারেই সহ্য করতে পারছে না মানিক। সে ভোদাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করে এমন কাণ্ড কে করেছে? সে মানিককে জানায় সে এমনটা করেনি আর কে করেছে সেটাও সে জানে না।
তখন মানিক বলে যে এই কাজ করেছে একদম ঠিক করেনি। সে সবকিছু সহ্য করতে পারে কিন্তু নিজের বউয়ের দুঃখ কখনোই সহ্য করতে পারে না। তাই যে এই কাজটা করেছে তাকে মানিক দেখে নেবে। অন্যদিকে শোকে কাদতে থাকে কমলা। তবে দর্শকদের ধারণা মানিক থাকতে খুব বেশি খুন এই চোখের জল ফেলতে হবে না কমলাকে। ঠিক একটা না একটা উপায় বার করে কমলার মুখে হাসি ফোটাবে মানিক।





