মিঠুন চক্রবর্তী ভারতের একজন খ্যাতিমান চলচ্চিত্র অভিনেতা, সমাজ সংগঠক এবং উদ্যোক্তা। মৃগয়া (১৯৭৬) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিষেক ঘটে। এ ছবির মাধ্যমেই তিনি ‘সেরা অভিনেতা’ হিসেবে ভারতের ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ লাভ করেন। বর্তমানে তিনি পরশ টিভি’র প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন।
মিঠুন চক্রবর্তী বাংলাদেশের বরিশালে বাঙালি হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বরিশাল জেলা স্কুলে পড়েছিলেন। পরবর্তীতে কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়াও ফিল্ম অ্যাণ্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইণ্ডিয়া (এফটিআইআই) থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন তিনি।
তিনি জনপ্রিয় পরিচালক মৃণাল সেনের পরিচালনায় মৃগয়া চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রূপালী জগতে প্রবেশ করেন। অসামান্য অভিনয় নৈপুণ্যের জন্য এ ছবির মাধ্যমে তিনি সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। অভিষেকের পর তিনি দো আনজানে (১৯৭৬) এবং ফুল খিলে হ্যায় গুলশান গুলশান (১৯৭৭) ছবি দু’টোয় সহ-চরিত্রে অভিনয় করেন। কিন্তু তাতে তিনি কোন গুরুত্ব ও সফলতা পাননি।
মহাক্ষয় চক্রবর্তী (জন্ম 30 জুলাই 1984) ডাকনামে মিমোহ চক্রবর্তী নামেও পরিচিত , একজন ভারতীয় অভিনেতা যিনি হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করেন। তিনি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং যোগিতা বালির পুত্র। তার স্ত্রী হলেন মালদাসা যার রূপে গুনে পাগল বলিউড। কিছুদিন আগেই ‘অনুপমা’ দিয়ে টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছেন অভিনেত্রী মদালসা শর্মা অর্থাৎ মিঠুন চক্রবর্তীর পুত্রবধূ। ছোট পর্দায় অভিষেক নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত মদালসা। তবে মদালসার আরও একটি পরিচয় রয়েছে। মদালসা বলিউড ও বাংলা ছবির সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলের বউ। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে, মিঠুন চক্রবর্তীকে শ্বশুর হিসেবে পেয়ে তাঁর কেমন অভিজ্ঞতা তা শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। একইসঙ্গে অনুপমা করার কারণ এবং এই কাজে মিঠুন তাঁকে কতটা অনুপ্রেরণা দিয়েছেন সে কথাও বলেছেন মদালসা।
![]()
অভিনেত্রী মদালসা এর আগে তিনটি ভাষায় ছবিতে কাজ করেছেন, হিন্দি, তেলেগু ও কন্নড়। টেলিভিশনের জগতে পা রাখার আগে কী ভাবে মিঠুন তাঁকে উৎসাহ দিয়েছেন তা নিয়ে মন্তব্য প্রকাশ করেছেন নায়িকা। তিনি বলেছেন, ‘এই প্রজেক্টটায় হাত দেওয়ার আগে আমি মিঠুন বাবার সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম। তিনি সব সময় আমাকে অনুপ্রেরিত করেছেন। উনি আমাকে সব সময় বলেন, যে যদি কোনও কাজ মন থেকে করতে ইচ্ছে করে, যদি মনে হয় এটা করলে দারুণ কিছু একটা হতে পারে, তাহলে অবশ্যই সেই কাজটা করা উচিত। ডান্স ইন্ডিয়া ডান্সের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন তিনি। সেই সময় আমার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন বাবা। এই জগৎটায় কত কিছু করার আছে এবং এটা কত বড় একটা জগৎ তা আমাকে বলেছেন উনি। বাবার সঙ্গে এমন আলোচনার পরেই আমি আমার কেরিয়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি।’

‘অনুপমা’-তে কাব্যর চরিত্রে অভিনয় করছেন মদালসা। এই চরিত্র করে কেমন লাগছে তাঁর? অভিনেত্রীর কথায়, ‘এই শোতে হ্যাঁ করি কারণ প্রথমেই এটা রাজন শাহির শো। তাঁর সঙ্গে কাজ করার অফার কোনও মতেই হাতছাড়া করতে চাইনি। গল্পটা ভীষণ মনছোঁয়া এবং আমি রিলেট করতে পেরেছি। পরিচালক উমেশ স্যারের সঙ্গেও কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এমন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করা ভাগ্যের। এই গল্পের অংশ হতে পেরে আমি খুবই গর্বিত। চরিত্রটায় অনেকগুলো লেয়ার রয়েছে। আমার দারুণ লাগছে এই অভিনয় করতে।’ ১৩ জুলাই থেকে স্টার প্লাসে শুরু হয়েছে এই সিরিয়াল। বাংলা সিরিয়াল শ্রীময়ীর হিন্দি রিমেক এই অনুপমা।





