বেশ কিছুদিন হলো বাংলা বিনোদনের প্রথম সারির চ্যানেল স্টার জলসায় (Star jalsha) সম্প্রচার শুরু হয়েছে ধারাবাহিক ‘সন্ধ্যাতারা’র (Sandhya Tara)। এই গল্প দুই বোনের তাদের ভালবাসা, স্বার্থত্যাগ এবং আত্মত্যাগের। এমন দুই বোন যাঁরা একে অপরের জন্য প্রাণও দিতে পারে। পরিবারের মেজো মেয়ে সন্ধ্যা ছোট মেয়ে তারা। তাদের একটি বড় বোনও রয়েছে। তবে পরিবারের স্তম্ভ হল সন্ধ্যা। একজন নারী হয়েও সেই যেন বাড়ির পুরুষটি। বাবা চলে যাবার পর সংসারের সব দায়িত্বই সে নিজের কাঁধে তুলে নেয়। সন্ধ্যা বোন তারাকে চোখে হারায়। তারাও দিদি-অন্ত প্রাণ। তারার কাছে সে মা, বাবা, বোন, বন্ধু সব।
জি বাংলায় ফুলকি-র সঙ্গে এইবার টিআরপি-তে জারদার টক্কর চলছে সন্ধ্যাতারার। এই দুটি ধারাবাহিক একই দিন থেকে দুটি ভিন্ন চ্যানেলে নিজেদের যাত্রা শুরু করলেও, এগিয়েই থাকছে ফুলকি প্রথম থেকেই। তবে এবার ফুলকিকে হারাতে কোমর কষে লেগেছে সন্ধ্যাতারাও।
হাসিখুশিতে উচ্ছল দুই বোনের জীবনে হঠাৎ এক স্বপ্নের পুরুষের প্রবেশ। গল্পের নায়ক আকাশনীল। ভাগ্যের ফেরে তারা দুজনেই ভালবেসে ফেলে একজন মানুষকেই। নিজের দিদিকে এতদিন পর একটু খুশি দেখে নিজের ভালোবাসাকে জলাঞ্জলি দেয় তারা। এরপর বিয়ে হয়ে যায় সন্ধ্যা আর তারার মনের মানুষের। তারা নিজের দিদির জন্য ভালোবাসাকে ভুলতে পারলেও আকাশের পক্ষে সম্ভব হয়নি তারাকে ভুলে যাওয়া। তাই সন্ধ্যার সাথে বিয়ে হলেও সে এখনো তারাকেই ভালোবাসে।
ঝগড়া করতে করতে কাছ কাছি আসছে আকাশ সন্ধ্যা
কিন্তু তা বলে আর পাঁচটা ধারাবাহিকের নায়কের মতো দায়িত্ব-কর্তব্যহীন হয়ে ওঠেনি সে। সব সময়, সব ক্ষেত্রে সন্ধ্যার পাশে থেকেছে আকাশ। স্বামীর দায়িত্ব পালন করেছে আকাশ। দর্শকদের ধারনা এমন করে ঝগড়া করতে করতেই একদিন ঠিক আকাশের সাথে মিশে যাবে সন্ধ্যা। অধীর আগ্রহে সেই দিনটার অপেক্ষা করে চলেছে দর্শক মহল।
দায়িত্ত্ব পালনে অনড় আকাশ
এদিনের পর্বে দেখা যায় সন্ধ্যা আকাশের কাছে আবদার করে যে সে তার গাড়ির পিছনে বসে সিনেমার হিরোইনদের মতো তাকে জড়িয়ে ধরে চুল ওড়াতে ওড়াতে যাবে। আজ এই কথাগুলো শুনে আকাশের একটু বিরক্ত লাগলেও দর্শকদের ধারণা এমন একটা দিন ঠিক আসবে যেদিন সন্ধ্যার এই ছেলেমানুষি গুলোকেই ভালোবেসে ফেলবে আকাশ।
View this post on Instagram





