মধ্য কলকাতার একটি নামী হোটেলে ‘অভিমান’ ছবির প্রচারে হাজির হয়েছিল পুরো টিম। তার আগের দিনই হয়ে গিয়েছে ‘দেশু ৭’-এর মহরত, ফলে ব্যস্ততার মধ্যেই প্রোমোশনের কাজে যোগ দেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। কাজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিনেত্রী জানান, তিনি নিজেকে ওয়ার্কোহলিক বলতে চান না, তবে কাজের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ রয়েছে। একই সঙ্গে পরিবার এবং পেশার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টাও করেন তিনি।
এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করেছেন শুভশ্রী। সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, বুম্বাদার মতো একজন শিল্পীর সঙ্গে কাজ করা তাঁর কাছে বড় প্রাপ্তি। প্রসেনজিতের দীর্ঘ অভিনয়জীবন, পরিশ্রম এবং প্রতিটি কাজে নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করার ইচ্ছা তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। শুভশ্রীর কথায়, তিনি এখনও শেখার মতো একজন শিল্পী এবং তাঁর অন্যতম আদর্শ।

পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের সঙ্গেও পরপর একাধিক কাজ করেছেন শুভশ্রী। তিনি জানান, ইন্দ্রদীপের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অত্যন্ত আন্তরিক। ব্যক্তিগতভাবে তাঁদের মধ্যে বাবা-মেয়ের মতো বন্ধন রয়েছে। অভিনেত্রীর মতে, একজন সংগীত পরিচালক হিসেবে যেমন ইন্দ্রদীপ সফল, তেমনই পরিচালক হিসেবেও তিনি ভিন্ন ধরনের গল্প তুলে ধরছেন। তাঁর ছবিগুলি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া থাকলেও সৃজনশীলতার জায়গায় তিনি আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন।
শুভশ্রী আরও বলেন, সেটে তিনি সবসময় প্রস্তুত থাকেন এবং পরিচালকের নির্দেশ মেনে চলতে পছন্দ করেন। নিজেকে তিনি ‘ডিরেক্টরস আর্টিস্ট’ বলেই মনে করেন। মজার ছলে অভিনেত্রী জানান, স্কুলজীবনে তিনি যতটা বাধ্য ছাত্রী ছিলেন না, এখন কাজের ক্ষেত্রে ততটাই নিয়ম মেনে চলেন। সেই কারণেই পরিচালকদের কাছেও তিনি বিশেষ ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘সবই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায়…’ স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতারি নিয়ে মুখ খুললেন ঋত্বিক চক্রবর্তী! টলিউড বিতর্কে বি’স্ফোরক অভিনেতার!
সম্পর্কের গল্পভিত্তিক ছবি দর্শকদের কাছে সবসময়ই জনপ্রিয় বলে মনে করেন শুভশ্রী। তাঁর মতে, ভালোবাসা, অভিমান, বিচ্ছেদ কিংবা পুনর্মিলনের অনুভূতি মানুষের জীবনেরই অংশ। ব্যস্ত জীবনে অনেক আবেগই আমরা গুরুত্ব দিই না, কিন্তু সিনেমা সেই অনুভূতিগুলিকে আবার সামনে নিয়ে আসে। ‘অভিমান’ও ঠিক তেমনই এক গল্প, যা দর্শকদের নিজেদের জীবনের নানা মুহূর্তের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে।





