রিয়েলিটি শোয়ের (Reality Show) ঘরে আবারও শুরু হয়েছে লাক্সারি বাজেটের নতুন টাস্ক। এবারের খেলায় মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে চরিত্রগুলোকে মানুষ, সুবুদ্ধি এবং দুর্বুদ্ধি। খেলায় মানুষের পক্ষে দুজন করে সুবুদ্ধি ও দুর্বুদ্ধি চরিত্র থাকে। দুর্বুদ্ধির মূল লক্ষ্য থাকে মানুষকে বিপদে ফেলা বা হারানো, আর সুবুদ্ধির কাজ হলো যেকোনো মূল্যে মানুষকে দুর্বুদ্ধির কোপ থেকে রক্ষা করা।
বিগ বসের ঘরে বড়সড় ও কঠিন টাস্কের আয়োজন নতুন কিছু নয়। অতীতেও নানা কঠিন পরিস্থিতিতে সুবুদ্ধিদের বুদ্ধিমত্তা দুর্বুদ্ধির কাছে হেরে যাওয়ার মতো ঘটনা দেখা গেছে। আজকের লাক্সারি বাজেট টাস্কেও বিগ বস সেই পরিচিত ধারারই পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছেন, যেখানে মানুষ, সুবুদ্ধি ও দুর্বুদ্ধিদের চমৎকার ভারসাম্যের মাধ্যমে খেলাটি এগিয়ে চলেছে।
তবে এই খেলায় সেফটি গিয়ারের বা সুরক্ষার বালাই না থাকায় পরিস্থিতি বেশ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। গেমের নামে বল বা ভারী ব্লক ছুঁড়ে মারার ফলে প্রতিযোগীদের শারীরিক আঘাত পাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এর ফলে মনামী ও নন্দিনীর গায়ে-মুখে কালশিটে পড়ে গেছে এবং দুর্নিবারের হাতেও নতুন করে আঘাত লেগেছে।
এই পুরো পরিস্থিতির মাঝে সাক্ষাৎ শয়তানের অবতারে নিজেকে মেলে ধরেছেন জিতু কামাল, যিনি আজকের পর্বে নিঃসন্দেহে ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ’। ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে যেন তাঁর অদ্ভুত এক সংযোগ রয়েছে; আগে চার্জ দেননি অজুহাতে দুর্নিবারকে তাড়া করতেন, আর এখন ব্যাটারি দেননি বলে তাঁর হিটলিস্টে উঠেছেন মনামী।
আরও পড়ুনঃ সৃজলাকে ঘিরে ত্রিমুখী দ্বন্দ্ব! রাজবীরের ওপর হাত তুললেন নন্দিনী! মেডিকেল রিপোর্টের কড়া নির্দেশ, চোখের জলে ঝিলামকে বিদায় জানাল পুরো ঘর!
অন্যদিকে, সৃজলা ও দুর্নিবারের মধ্যে কথা বন্ধ থাকলেও খেলার খাতিরে নিজের দায়িত্বে কোনো কমতি রাখছেন না দুর্নিবার। সৃজলার সুবুদ্ধি হিসেবে তিনি প্রতি মুহূর্তে তাকে রক্ষা করার এবং খেলা এগিয়ে নেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, যা ঘরের ভেতরের সমীকরণকে আরও বেশি জটিল ও নাটকীয় করে তুলেছে। এবারে দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।





