কিছুদিন আগেই সূর্যর কাছে মিশকার আসল চেহারা প্রকাশ্যে চলে আসে। কিন্তু সূর্যর কিছু করার নেই। সূর্যর স্পার্ম নিয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে ছেলের জন্ম পর্যন্ত দিয়ে দিয়েছে মিশকা। ব্যস ছেলে জন্মাতেই বংশধর আসতেই কেমন যেন বদলে গেছে সূর্য আর তার মা। অন্যদিকে আবার দীপার জীবনে এসেছে নতুন পুরুষ অর্জুন। আবার সূর্যের অবিশ্বাস শুরু। আর এখানেই দীপার সঙ্গে মেঘের পার্থক্য।
কৈফিয়েত চাইতে সূর্যের ঘরে আসে। আর দীপা আসছে দেখে মিশকা মাতাল সূর্যের সুযোগ নিয়ে সূর্যের বুকে মাথা রেখে একই বিছানায় শুয়ে পড়ে। আর ঠিক সেই সময় ঘরে ঢুকে পড়ে দীপা। এমন দৃশ্য দেখার পর কিছুক্ষণের জন্য দীপা থম মেরে যায়। তার মাথা কাজ করে না। এরপর সেই ঘর থেকে বেরিয়ে সে প্রচণ্ড কান্নাকাটি করতে থাকে। সেনগুপ্ত বাড়ি ছেড়ে নিজের বাড়িতে চলে এসে সে জিনিসপত্র ভাঙাচোরা করতে থাকে।
আসলে সূর্য-মিশকাকে এক বিছানায় দেখে টুকরো টুকরো হয়ে যায় দীপার মন। অনেকদিন ধরেই সে নিজের সঙ্গে নিজে লড়াই করছিল। কিন্তু কোনভাবেই শেষ সূর্যকে ভুলে নতুন জীবনে পা রাখতে পারছিল না বা নতুন শুরু করতে পারছিল না। একটা ধাক্কার তার ভীষণ প্রয়োজন ছিল। আর এবার সেই আঘাতটাই সে পেয়েছে সূর্যর থেকে। আর তাই নিজের জীবন থেকে সূর্যর সকল স্মৃতিও মুছে ফেলল সে।
সূর্য-মিশকাকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখে দীপা। কিন্তু সবটাই ছিল মিশকার ষড়যন্ত্র। কিন্তু সেটা ধরতে পারে না দীপা। সূর্যর থেকে এত বড় আঘাত পেয়ে নিজের মধ্যে থাকা সমস্ত ধৈর্য হারিয়ে ফেলে সে। একইসঙ্গে সে হারিয়ে ফেলে সূর্যর প্রতি তার ভালোবাসাও। এই ধাক্কার ফলে সে হয়ে ওঠে এক সম্পূর্ণ অন্য মানুষ। সে অবলীলায় সই করে দিয়েছে ডিভোর্স পেপারে।
View this post on Instagram
আর দীপার চরিত্রে অভিনেত্রী স্বস্তিকা ঘোষের অভিনয় নজর কেড়েছে দর্শকদের। তার অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়ে এক দর্শক লিখেছেন, ‘নারীর ঘৃণা সর্বস্বটা দিয়ে ভালোবাসবে , আবার একবার ঘৃণা জন্মালে সর্বস্বটা দিয়ে ঘৃণাও করবে এই ঘৃণা খুবই ভয়ংকর! লাস্ট ১-২ দিনে দীপা কষ্ট পেতে পেতে ওর চরিত্রের স্ট্রাকচার পুরো পাল্টে গেছে , ওর দুই চোখ দিয়ে এখন খালি ঘৃণার আগুন আর মুখে অদ্ভুত হাসি! নিজের বিয়ের ছবি সব ছিড়ে সূর্যর টা ডাস্টবিনে ফেলে দিচ্ছে আর নিজেরটা রেখে দিচ্ছে! কি মারাত্মক ছিল সিনটা! স্বস্তিকা দি ও ফাটিয়ে দিল!’





