শিমুলকে আটকাতে তার পায়ে পড়ল মধুবালা, কিন্তু সে আর পিছুটান না রেখে শতদ্রুর সাথেই জীবন শুরু করবে!

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের চরিত্রে রয়েছেন মানালি দে এবং নায়ক পরাগের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দ্রোণ মুখোপাধ্যায়কে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, শিমুলকে তাড়াতে একেবারে মরিয়া হয়ে উঠেছে তার স্বামী এবং দেওর। তার জন্য তারা একটি মিথ্যে নাটক করে আর সেখানেই শিমুলের ওপর গয়না চুরির অভিযোগ আনা হয়। কিন্তু খুব বেশিক্ষণ তাদের এই মিথ্যে নাটক স্থায়ী হলো না।

শিমুলের বান্ধবীরা শিমুলের শ্বশুরবাড়িতে এসে দেখে পরাগ, পলাশ, প্রতীক্ষা এবং প্রিয়াঙ্কা চারজনের মনে আনন্দ আর ধরে না। মধুবালার সাথে কথা বলে বিপাশারা বুঝতে পারে, শিমুল তাদের জন্য এত কিছু করার পরেও মধুবালা শিমুলকেই অবিশ্বাস করেছে। এরপর সেখানে আসে শিমুল। তারপর চলে আসে পুলিশ।

পুলিশকে সবার সামনে রিপোর্টটা পড়তে বলে শিমুল। পুলিশ বলে ওই রিপোর্টে শিমুল ব্যানার্জি এবং প্রিয়াঙ্কার হাতে ছাপ আছে। যখন পুলিশ প্রিয়াঙ্কাকে ধরতে যায় তখন শিমুল বলে এই সমস্ত ঘটনায় যে মদত দিয়েছে সেই পরাগের কি হবে? তখন পুলিশ পরাগকেও অ্যরেস্ট করে। সুযোগ বুঝে প্রিয়াঙ্কা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ তাকে গিয়ে ধরে ফেলে। শিমুল বলে “এইবার পরাগ আর প্রিয়াঙ্কা মিলে জেলের মধ্যেই তাদের প্রি ওয়েডিং হানিমুন সেরে নেবে।”

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, শিমুল নিজের ব্যাগ পত্র গুছিয়ে বেরিয়ে যেতে চাইলে মধুবালা সবার সামনে শিমুলের পা ধরে তাকে আটকানোর চেষ্টা করে। শিমুল তখন তার শাশুড়ি মাকে বলে, সে তার বাকি জীবনটা ভালোভাবে শতদ্রুর সাথে কাটাতে চায়।