সমাজের অদ্ভুত ভাবনার প্রভাব পুলিশের মধ্যেও! পুলিশের বড় কর্তার কাছেও অপরাধী সুচরিতা, শত চেষ্টা করেও বুঝলো না সে!

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত সবচেয়ে বাস্তববাদী ও জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। এই ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের চরিত্রে রয়েছেন মানালি দে এবং নায়ক পরাগের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দ্রোণ মুখোপাধ্যায়কে। বর্তমানে টিআরপিতেও বেশ ভালো জায়গা দখল করেছে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের প্রতিবেশী বান্ধবী সুচরিতার জীবনে এক দারুন ঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে। তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তাকে আর তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন বহন করতে চাইছে না।

এই দিনের পর্বে দেখা যায়, সুচরিতা তার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায় আর তাই জন্য সে নিজের দলটাকে ছাড়তে চায় না। সে অনুষ্ঠানের জন্য রিহার্সাল করতে বেরোয়। ফিরে দেখে তার বাড়ির লোকজন কেউ দরজা খুলছে না। বিপাশা শিমুল প্রত্যেকে বারবার দরজা ধাক্কা দিলে তারা জানিয়ে দেয় সুচরিতাকে আর তারা বাড়িতে ঢুকতে দেবে না।

সুচরিতার মেয়েকেও বাড়ির বাইরে বার করে দেয় তারা। কোন উপায় না পেয়ে শেষমেষ পুলিশের দ্বারস্থ হয় তারা। সমস্ত ঘটনাটাই তারা পুলিশকে খুলে বলে। কিন্তু পুলিশও সেই পাড়ার লোকেদের মতনই আচার বিচার নিয়ম কানুন নিয়ে উল্টে সুচরিতার দেখেই আঙুল তোলে।

আরও পড়ুনঃ দুই নৌকায় পা দিয়ে হাঁটতে চায় শিমুল! পরাগকে ডিভোর্স দিলেও বাড়ি সে ছাড়বে না, বলতেই ট্রোল নেটিজেনদের!

শিমুল পুলিশকে উচিত জবাব দিলে পুলিশ তাদেরকে ফেমিনিস্ট বলে আখ্যা দেন। আর তারপর শুধুমাত্র দায়িত্বের খাতিরে সুচরিতাকে বাড়ির ভিতরে ঢোকানোর জন্য তাদের সাথে যাবার কথা বলেন। এই সমাজে পুলিশও এই সমাজের নিচু মানসিকতার থেকে মুক্ত নয় এটা আরো একবার প্রমাণ হয়। আরো একবার বর্তমান সমাজের বাস্তবতাকে তুলে ধরে কার কাছে কই মনের কথা।