ডিভোর্স হতে না হতেই পাকা হলো আশীর্বাদের দিনক্ষণ, সবার সামনে শিমুলকে নিজের মেয়ের স্বীকৃতি দিল মধুবালা!

আর পাঁচটা ধারাবাহিক যেখানে শাশুড়ি বৌমার মাঝে কলোহকে তুলে ধরছে, সেখানে জি বাংলার (Zee Bangla) কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) সেই সম্পর্কর একেবারে অন্য রূপ তুলে ধরছে। এই ধারাবাহিকের একেবারে শুরুতে দর্শকরা হয়তো ভাবতেও পারেননি মধুবালা আর শিমুলের সম্পর্কটা এত মধুরতা আসবে।

এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে, পরাগ আর শিমুলের। পরাগ ছাড়া বাকি প্রত্যেকেই বুঝতে পারছে কত বড় রত্ন হাতছাড়া করেছে পরাগ। তবে শিমুলের জীবনটা যে একটা গ্লানি মুক্ত হয়েছে সেই সম্পর্কে কোন দ্বিধা নেই।

আজকের পর্বে দেখা যায়, বিপাশা সবার সামনেই পরাগ কে বলে, “তোমার প্রিয়ার মতনই একটা বউ এর দরকার ছিল। তারপরেই তুমি বুঝবে ঠিক কত বড় ভুল করেছো তুমি। একদিন তুমি নিজে শিমুলের সামনে এসে তোমার কৃতকর্মের জন্য হাত জোড় করে ক্ষমা চাইবে।”

এরপর দেখা যায় শিমুলের শ্বশুরবাড়িতে চলে এসেছে প্রিয়া এবং তার মা। মধুবালা তাদের সঙ্গে যথেষ্ট খারাপ ব্যবহার করলেও তাদের কোন লজ্জা শরম নেই। প্রিয়ার মা মধুবালাকে শিমুল সম্পর্কে খারাপ কথা বলতে এলে মধুবালা বলে দেয় যে শিমুল এখন আর তার বড় বৌমা নয়, শিমুল তার মেয়ে। তাই তার নামে কিছু সে সহ্য করবে না।

আরও পড়ুন: বিচ্ছেদের পরেই অন্তঃসত্ত্বা নবনীতা! খবর প্রকাশ্যে আসতেই চর্চায় মুখর নেটপাড়া

অন্যদিকে শিমুল জানায়, সে তার প্রাক্তন স্বামীর বিয়ের জন্য সমস্ত কাজ একা হাতে করবে। আর যতদিন না সে তার মা এবং পুতুলদের কোন একটা ভালো ব্যবস্থা করতে পারছে, ততদিন অব্দি সে এই বাড়ি থেকে যাবে না। নিজের অধিকারে এই বাড়িতেই থাকবে।