বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে সেগুলির চাইতে একটু অন্যরকম এবং বাস্তবকে প্রতিফলিত করছে এমন একটি মেগা হল কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। সম্প্রতি ধারাবাহিকের টিআরপি কিছুটা হ্রাস পেলেও জনপ্রিয়তায় এতটুকুনিও ভাটা পড়েনি।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ধুমধাম করে বিয়ে হচ্ছে পরাগের। গায়ে হলুদের নাচ গানে মেতে উঠেছে প্রতীক্ষা সহ পাড়ার অন্যান্য বউরা। সবটা আরো বেশি করে শিমুলকে দেখিয়ে দেখিয়ে করছে তারা, যাতে ভেতর ভেতর কষ্টে শেষ হয়ে যায় নায়িকা। পরাগের এই বিয়েতে কোনভাবেই মত নেই তার মা মধুবালার। কিন্তু পরাগ তার মায়ের মতামত নেওয়ার কোন প্রয়োজন মনে করেনি।
আরো পড়ুন: ভরা পৌষে বিয়ে কাঞ্চন-শ্রীময়ীর! নতুন শুরুর খবর শোনালেন অভিনেত্রী নিজেই
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পুতুল বারবার তার স্যারকে ফোন করতে বলে কারণ বাড়িতে বিয়ে বলে কদিন তাকে পড়াতে আসবে না তীর্থ। পুতুলের তার স্যারের প্রতি এত ভালোবাসা দেখে একটু অস্বস্তিতে পড়ছে মধুবালা কারণ এই নিয়ে আবার তার মেয়েকে বদনাম কুড়তে হবে এটা সে মোটেই চায় না।
শিমুল মধুবালাকে বোঝায়, পুতুলদির মতন তার স্যারও যদি পুতুল দিকে এভাবেই মিস করে তাহলে বিষয়টা ভালো দেখেই এগোচ্ছে। ঠিক তখনই চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয় বাড়িতে। কারণ প্রতীক্ষা পরাগকে ডাকতে গিয়ে দেখতে পায় তার কোন জ্ঞান নেই, সে অচেতন হয়ে পড়ে রয়েছে। তাড়াতাড়ি চায়ের কাপ ডিসটা। সেখান থেকে সরিয়ে ফেলা প্রতীক্ষা।
View this post on Instagram
এরপর ডাক্তার আসে। সে বলে পরাগের দেহে বিষক্রিয়া ঘটেছে। তৎক্ষণাৎ প্রতীক্ষা সমস্ত দোষ শিমুলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশকে অব্দি খবর দিয়ে দেয় তারা। কিন্তু এসবের কিছুতেই শিমুল বিন্দুমাত্র ভয় পাচ্ছে না কারণ সে জানে সে এসবের মধ্যে কোনভাবেই জড়িত নয়। পরাগকে বিষ খাইয়ে মারতে চাইল কে?





