জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সবচেয়ে বাস্তব দ্রষ্টা ধারাবাহিক হিসেবে শুরুতেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি। তবে বর্তমানে এই মেগা যা দেখাচ্ছে সেটি বাস্তব তো দূরে থাক, কেউ কল্পনাতেও এমন কিছু ভাববে না এটা নিয়ে সন্দেহর অবকাশ নেই।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলকে গেফতার করে পুলিশ। তার অপরাধ হলো সে তার প্রাক্তন স্বামী পরাগ ব্যানার্জীকে বিষ খাইয়ে খুন করার চেষ্টা করেছে। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ রূপে মিথ্যে। এমন কিছুই ঘটেনি। কিন্তু পলাশ, প্রতীক্ষা এই সুযোগটাকে হারাতে চায়নি।
হয়তো কোনো প্রমাণ না পাওয়া অব্দি শিমুলকে গ্রেফতার করা হতো না, কিন্তু সেই পথটা সুগম করেছে শিমুলের প্রাক্তন শাশুড়ি মধুবালা। তিনি তার কথার মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দেন, শিমুলকে সন্দেহ করেন তিনি। এরপর পুলিশ আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে শিমুলকে ধরে নিয়ে যায়। যে মানুষটার জন্য শিমুল নিজের জীবনটাও দিয়ে দিতে পারে সেই মানুষটাই যখন শিমুলের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তখন থেকেই এই ধারাবাহিকের বাস্তবতার প্রতি এক প্রশ্ন চিহ্ন বসিয়ে দেন ভক্তরা।
এরপর জেলে গিয়ে অদ্ভুতভাবে চুপ হয়ে যায় শিমুল। যেটা হওয়াটাই স্বাভাবিক। এতক্ষণ অব্দি সবটাই ঠিক চলছিল। হঠাৎ জেলে কয়েদিদের সঙ্গে ভীষণ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায় তার। সেটাও মেনে নিয়েছিলেন দর্শকরা। কিন্তু তারপর যা হলো সেটা দেখে সমালোচনার মুখে ধারাবাহিকের নায়িকা তথা ধারাবাহিক।
জেলের কয়দিরা শিমুলকে নাচ করার কথা বললে প্রথমে সামান্য দোনোমনো করলেও পরে সে দিব্যি রাজি হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, সুন্দরভাবে নাচও প্রদর্শন করে। এর সাথে এতোটুকুও বাস্তবতার মিল পায়না দর্শকমহল। এমন একটা গুরুতর অপরাধে জেলে ঢুকে কেউ কিভাবে নাচ করতে পারে এটাই ভেবে পায় না তারা। এটাই কি বাস্তবতার নমুনা? এই দৃশ্য সম্প্রচারের পর থেকেই ট্রোলের মুখে ধারাবাহিক।





