শুরু থেকেই দর্শকদের প্রতিমুহূর্তে এক চরম বাস্তবের সম্মুখীন করছে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি। যারাই সত্যের পথ অবলম্বন করেছে তাদেরকেই কঠিন সময় অতিবাহিত করতে হয়েছে আর এখন ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলকেও অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, জেলে বন্দী নায়িকা শিমুল। মিথ্যে দোষের শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে তাকে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে শতদ্রু। সে একজন উকিলকে নিয়ে এসেছে যে বর্তমানে শিমুলের হয়ে, শিমুলকে দোষ মুক্ত করার জন্য পরাগের ঠিক করা উকিলের সাথে লড়াই করবে। আর ইতোমধ্যেই সেই লড়াই শুরুও হয়ে গিয়েছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিচারকের সামনে একপ্রকার তর্কের যুদ্ধে নেমে গিয়েছে অনির্বাণ আর আরাধনা। পেছন থেকে সাপটা দেখে মনে মনে বেশ আনন্দ হচ্ছে পরাগ আর পলাশের। কারণ এত বড় একজন উকিলকে সামনে থেকে কেস লড়তে দেখার ইচ্ছে তাদের অনেক দিনের ছিল। পরাগ বলে, আজ শুধুমাত্র শিমুলের জন্য তাদের জীবনে এই দিনটা নেমে এসেছে। আরজে কত কি দেখতে হবে তার ঠিক নেই।
মধুবালা বলে তার এসব শুনতে ভালো লাগছে না কারণ বাড়িতে মেয়েটা অসুস্থ। তখন পলাশ বলে, সমস্ত কথাবার্তা বলাই রয়েছে। তার মাকে আগেই ডেকে নেয়া হবে সাক্ষী দেওয়ার জন্য। এরপর প্রথম সাক্ষী হিসেবে মধুবালাকে ডাকে অনির্বাণ। মধুবালাকে অনির্বাণ শিমুলের বিষয়ে প্রশ্ন করলে সে উত্তরে বলে, “শিমুল আমার বৌমা ছিল। শুরুতে অনেক অশান্তি হয়েছে আর তার জন্য দায়ী আমি। তবে ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো হয়ে গিয়েছিল। আমরা একেবারে বন্ধুর মতো থাকতাম। ঠিক তখনই পরাগ বলে সে বৌমার সাথে থাকতে চায় না। এরপর ওদের ডিভোর্স হয়ে যায় আর পরাগ নতুন করে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।” অনির্বাণ বলে, এটাই নাকি কারন ছিল বিষ খাওয়ানোর।
তখন শিমুলের উকিল আরাধনা মধুবালাকে জিজ্ঞাসা, করে সে কি নিজের চোখে দেখেছে বিষ খাওয়াতে? মধুবালা বলে, “না আমি নিজের চোখে দেখিনি। আর আমি বিশ্বাস করতে পারছি না শিমুল এই কাজ করেছে। আসলে আমার মেয়েটা হাবলি। আর পলাশ প্রতীক্ষার এই বিয়েতে কোনো আপত্তি ছিল না। বাকি রইল শিমুল।” মধুবালার সাক্ষী নিয়েই ঐদিনের মতন শুনানি থামিয়ে দেয় বিচারক। এই সবকিছুতে প্রচন্ড ভেঙে পড়া শিমুল। শতদ্রু তার পাশে এসে দাঁড়ায় আর বোঝানোর চেষ্টা করে, শিমুল যদি নিজেকে সাহায্য না করে তাহলে তাকে কেউ সাহায্য করবে না।





