মিশকার সন্তানকে আপন করলো দীপা! গৃহহীন লাবণ্যকে আশ্রয় দিল সে, বিপদ বুঝে তিস্তাকে ফেলে পালালো ভিক্টর!

ধারাবাহিকের শুরুতে নায়িকাকে একেবারেই পছন্দ করতেন না নায়কের মা লাবণ্য সেনগুপ্ত। কিন্তু তাও কখনো সব ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবেনি স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। উল্টে সব সময় সব পরিস্থিতিতে নিজের শ্বশুরবাড়ির পাশে থেকেছে সে। আর তার পরিবর্তে তাকে পেতে হয়েছে তিরস্কার। আরো একবার সমস্ত অপমান ভুলে তাদের চরম বিপদে পাশে দাঁড়ালো দীপা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, মরতে বসেছে রুপা। তার হাতে একেবারেই বেশি সময় নেই। ইতিমধ্যেই হসপিটালে ভর্তি হয়েছে সে এবং তাকে বাঁচাতে যে অপারেশন করতে হবে তাতে ২২ লক্ষ টাকা প্রয়োজন হবে। কোথাও কোন উপায় না করতে পেরে শেষমেষ লাবণ্য সেনগুপ্তর কাছে গিয়ে আঁচল পাতে দীপা। কিন্তু সেই আঁচলে কিছুই জোটে না উল্টে দীপার কাঁধে বোঝা আরো বাড়ে। সাহায্য চাইতে গিয়ে উল্টে সাহায্য করতে হয় তাকে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, দীপা যখন লাবণ্য সেনগুপ্তর কাছ থেকে ২২ লক্ষ টাকা চায়, ঠিক তখনই সেখানে এসে উপস্থিত হয় পাপাই অর্থাৎ পারিজাত সেন। সে উকিল এবং পুলিশ সহ সেনগুপ্ত বাড়িতে এসে প্রত্যেককে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বলে। সে প্রমাণ দেখায় লাবণ্য সেনগুপ্ত সমস্ত সম্পত্তি তার নামে লিখে দিয়েছে। এসব দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না লাবণ্য। এরপর সে বুঝতে পারে এই সবটাই করেছে তার বিশ্বস্ত কর্মচারী।

এসব দেখে প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে যায় কাকাই আর পারিজাত সেনকে মারধর করে। এর ফায়দা নিয়ে কাকাই আর দীপার শ্বশুরমশাইকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় পাপাই। কিন্তু দীপা সেখানে দাঁড়িয়ে বলে, এই বাড়িতে তারা থাকতে পারবে না ঠিকই কিন্তু এই বাড়ির দখল পারিজাত সেন পাবে না। এই বাড়ি সেনগুপ্ত পরিবার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে তাই একা লাবণ্য সেনগুপ্তের সই এই বাড়ির অধিকার অন্য কাউকে দিতে পারবে না। আর বাকিটা তারা আইনি সাহায্য নিয়ে প্রমাণ করবে। দীপার কথায় যুক্তি রয়েছে বুঝতে পেরে পাপাই সেনগুপ্ত বাড়ি ছেড়ে ওই মুহূর্তে চলে যেতে বাধ্য হয় কিন্তু এর পাশাপাশি দীপার গোটা শ্বশুরবাড়িকেও ওই বাড়ি ছেড়ে দিতে হয়।

সব খেলা ঘুরে গেছে দেখে ২৫ লক্ষ টাকার আশা ছেড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায় ভিক্টর। এমন অবস্থায় ভিক্টর চলে যাওয়ায় বেশ চিন্তায় পড়ে যায় তিস্তা। দীপা কাউকে রাস্তায় নামতে দেয়নি সে সবাইকে নিজের সাথে নিজের থাকার জায়গায় নিয়ে যায়। দীপা তিস্তাকেও আমন্ত্রণ জানায়। এরপর হসপিটালে গিয়ে দীপা জানতে পারে আর অপারেশনে দেরি করা চলবে না কিন্তু তখনও দীপা টাকা যোগাড় করতে পারেনি। ডাক্তার বলেন টাকা যোগাড় না হলে এই অপারেশন করা সম্ভব নয় কারণ তাদের কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। ওদিকে সমস্তটা জানতে পেরে নিজেও বেশ চিন্তায় পড়ে যায় রূপা।