স্বার্থ ছাড়া মানুষ এক পাও হাঁটে না। সমাজের বেশিরভাগ মানুষই তাদের স্বার্থের দ্বারা পরিচালিত হয়। স্বার্থ থাকলে তবেই তারা সেই কাজে উৎসাহ প্রকাশ করে আর নয় তো করে না। খুব কম মানুষ এমন রয়েছেন যারা নিঃস্বার্থভাবে অন্য মানুষের কথা ভাবতে পারে। স্বার্থপর হয়ে একটা মানুষকে বারবার ভুল বোঝা যায় আবার সেই স্বার্থের খাতিরেই তার জন্য লড়াই করা যায় এইসব কিছু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি। এক কঠিন নির্মম বাস্তবতার নজির সৃষ্টি করছে এই মেগা।
দর্শকরা ইতিমধ্যেই দেখেছেন, নিজের প্রাক্তন স্বামী পরাগ ব্যানার্জীকে বিষ খাওয়ানোর অপরাধে শিমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যখন পুলিশ শিমুলকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল তখন সেই ঘরে উপস্থিত প্রত্যেকেই শিমুলের হয়ে কথা বলেছিল। পুলিশও একটু দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিল এই বিষয়ে। কিন্তু মধুবালার স্বীকারোক্তি পুলিশকে একপ্রকার নিশ্চিত করেছিল যে শিমুলই আসল দোষী।
এর আগেও বারংবার সুযোগ বুঝে পাল্টে গিয়েছে মধুবালা। প্রত্যেকবার শিমুলকে ভুল বুঝেছে, তার সাথে অন্যায় অবিচার হতে দিয়েছে। আর সত্যিটা জানতে পেরে আবার ক্ষমা চেয়েছে। শেষবার চোর অপবাদ দেওয়া হয়েছিল শিমুলকে। আর সেটাকে বেমালুম বিশ্বাস করে নিয়েছিল মধুবালা। শিমুল যখন অপমানিত হয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে চায় তখন কেবলমাত্র নিজেদের কথা ভেবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে শিমুলের হাতে পায়ে ধরে তাকে আটকেছিল সে।
এইবারেও সে বলে, তার সন্দেহের খাতায় রয়েছে শিমুল। যার ফলে পুলিশ শিমুলকে গ্রেফতার করে। তারপর থেকেই পুতুলের অবস্থা ভীষণ খারাপ হয়ে গিয়েছে। বিছানার সঙ্গে লেগে গিয়েছে পুতুল। শিমুল থাকাকালীন পুতুল যে যত্ন পেতো সেই যত্ন তার নিজের দাদারাই তাকে দিতে পারছে না। সামান্য চিকিৎসা টুকুও করতে পারছে না তার।
তাই এবার পুতুলকে বাঁচাতে আসল দোষীকে নিজেই খুঁজে বার করবে মধুবালা, এমনটাই ধারণা দর্শক মহলের। কারণ এখানেও তার অনেক বড় স্বার্থ রয়েছে। সে বুঝে গেছে শিমুলকে ছাড়া পুতুল বাঁচবে না। তাই পুতুলকে সুস্থ করে তুলতে হলে শিমুলের উপস্থিতির অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে কি এবার পুতুলকে বাঁচাতে সত্যিই শিমুলের পক্ষ নেবে মধুবালা? নিজের উদ্যোগে সেদিনকে ঘটে থাকা সমস্ত ঘটনা খুঁজে বের করবে সে?





