বিপাশার কথায় ফ্যাসাদে পড়লো অনির্বাণ, উত্তেজিত হয়ে ফের নিজেদের বিপদ বাড়ালো পলাশ প্রতীক্ষা!

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে এর আগে এমন বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক খুব কমই সম্প্রচারিত হয়েছে। বাস্তবের অপ্রিয় সত্য গুলোকে পুঙ্খানুুঙ্খভাবে তুলে ধরছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। ধারাবাহিকটিতে নায়িকার চরিত্রে রয়েছে সবার প্রিয় মানালি দে। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের টিআরপি বেশ কিছুটা পড়েছে। আর সেই ঘাটতি পূরণ করতেই ধারাবাহিকে আসতে চলেছে নতুন চমক।

বর্তমানে পরাগ নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে মনে করে শিমুলকে। আর জীবনে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে তার ছোট ভাই পলাশ ও তার স্ত্রী প্রতীক্ষাকে। এই বিশ্বাস থেকেই কোনো রকম দ্বিমত পোষণ না করে তার শরীরে বিষক্রিয়ার জন্য সে শিমুলকেই দোষী মেনেছে। আর সেটা প্রমাণ করতেই এখন মামলা লড়ছে তারা। তবে আসল সত্যিটা সামনে আসতে আর খুব বেশি দেরি নেই।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পুতুল বার বার করে তার মা কাকিমাকে বলে, “তোরা একবার আমার শিমুলকে এনে দেনা রে। আমি আর বাঁচবো না বোধ হয়। কখন মরে যাই। যাওয়ার আগে একবার যদি ওর সাথে কথা বলতে পারতাম।” শুনেই কাকিমা বলে, “তোর মা কাকিমা এখনো বেঁচে আছে। কেনো মরবি তুই?” পলাশ তখন বলে, পুতুল নাকি নিজের দোষেই অসুস্থ হয়েছে। কারণ সে ইচ্ছে করে খাবার ওষুধ কিছু খাচ্ছে না।

তখন মধুবালা তার জা অর্থাৎ পরাগের কাকিমাকে বলে, “একবার কি মেয়েটাকে অনানো যায় না?” শুনেই পলাশ বলে, “ওই মেয়েকে আমি কিছুতেই এই বাড়িতে ঢুকতে দেবো না। যাই হয়ে যাক না কেন।” এমন একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে নির্লজ্জের মতো প্রতীক্ষা মধুবালাকে এক কাপ চা করে দেওয়ার হুকুম করে আর মধুবালা মুখের ওপর না বলে দেয়। সেই শুনে জ্বলে উঠে দুই ছেলে আর তারা তাদের মাকে জোর করতে থাকে। তাদের নির্মমতা অবাক করে কাকিমাকে।

এদিকে আবার শুরু হয়ে গিয়েছে মামলার শুনানি। প্রথম সাক্ষ্য হিসেবে ডেকে নেওয়া হয় বিপাশাকে। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, শিমুলের উপর ঠিক কি ধরনের অত্যাচার করতো পরাগ বাবু? সবটাই গুছিয়ে বলে বিপাশা। অনির্বাণ তখন প্রশ্ন করে, এত অত্যাচার সহ্য করেও কেনো শ্বশুরবাড়িতে পড়ে ছিলেন শিমুল? বিপাশা বলে, “একটা মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর তার আর দায়িত্ত্ব নিতে চায় না তার বাপের বাড়ি। বলে, ওখানেই মানিয়ে গুছিয়ে থাক।” এরপর বিপাশাকে তার সন্দেহের তালিকায় কে আছে সেকথা জিজ্ঞেস করলে বিপাশা পলাশ আর প্রতীক্ষার নাম বলে। এতে উত্তেজিত হয়ে ফের অনুমতি ছাড়াই উঠে দাড়িয়ে মন্তব্য করে বসে তারা। বিপাকে পড়ে যায় অনির্বাণ।