অনির্বাণকে উচিত জবাব দিল বিপাশা, ভরা কোর্টে কেঁদে ভাসালো পরাগ!

বর্তমানে জমে উঠেছে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি। জোর কদমে চলছে ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের সুনামি। ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব এত বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে যে, ভক্তদের ধারণা আবারো টিআরপিতে চমক আনবে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, বহুদিন ধরে চলছে মামলা। শিমুলকে দোষী সাব্যস্ত করতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে তার প্রতিপক্ষ অর্থাৎ পরাগ পলাশ প্রতীক্ষা এবং তাদের উকিল অনির্বাণ। অন্যদিকে শিমুলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তার বান্ধবীরা এবং তার ভালোবাসা শতদ্রু। প্রত্যেকদিন একটু একটু করে শেষ পর্যায়ে পৌঁছচ্ছে তারা। অন্যদিকে চরম অসুস্থতায় প্রাণ যেতে বসেছে পুতুলের।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিপাশাকে খুঁচিয়ে মহা বিপদে পড়ে যায় অনির্বাণ। যখনই অনির্বাণ শিমুলের বিরুদ্ধে একটা বানানো মিথ্যা কথা বলে তখনই বিপাশা আসল সত্যিটা টেনে হিচরে সবার সামনে নিয়ে আসে আর প্রমাণ করে দেয় মিথ্যে কথা বলছে বিপক্ষে থাকা লইয়ার। অনির্বাণ বলে, বিপাশা নাকি টাকার লোভে শিমুল আর শতদ্রুকে তার বাড়িতে আসার অনুভূতি দিত। তখন বিপাশা স্পষ্ট ভাবে জানায়, তাদের একটি নাচের দল আছে এবং তারা এদিক-ওদিক ছোটখাটো অনুষ্ঠান করে। সেই সূত্রেই শতদ্রু তাদের বাড়িতে আসত।

আবারো শিমুলের পুরনো প্রেম নিয়ে নোংরা মন্তব্য করলে বিপাশার সবার সামনে জানায়, “পরাগ যখন প্রিয়াঙ্কাকে সাথে করে ছাত্রী শিক্ষকের নাটক করে নিজের ঘরে নিয়ে যেত, আর তাকে বিয়ে করার জন্য শিমুলের ওপর ডিভোর্সের প্রেসার দিত সেটাকে কি নোংরামি বলে না?” এছাড়াও যখন অনির্বাণ বিপাশাকে মিথ্যে দোষারোপ করে তখন বিপাশা অনির্বাণ এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার ভয় দেখায়। অনির্বাণ বুঝে যায় সে ভুল মানুষের সাথে মিথ্যাচারিতা করতে এসেছে।

আরো পড়ুন:বসন্ত সপ্তাহ স্পেশাল! কথার বিপদে পাশে দাঁড়াল অচেনা ভ্যালেন্টাইন, আসছে ধামাকা পর্ব

এরপর সাক্ষ্য নিতে ডেকে নেওয়া হয় পরাগকে। তবে শুরুতেই কেঁদে ভাষায় পরাগ। সবটাই যেন একেবারে ছকে বাঁধা। এতক্ষণ অব্দি তিনি ঠিকই ছিলেন কাঠগড়ায় উঠে শপথ বাক্য পাঠ করার পরেই তার চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে আসে। আরাধনা বিরক্ত হয়ে এই নাটক বন্ধ করার কথা বললে পরাগ নতুন নাটক শুরু করে। সে শিমুলের নামে বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলে। শতদ্রুকে নিয়ে যা নয় তাই নোংরা মন্তব্য করে। চোখের জলকে শিখণ্ডী করে নিজের মনগড়া গল্প শুনিয়ে যায় আদালতে। তখন আরাধনা বলে, এইভাবে কারোর নামে মিথ্যে দোষারোপ করা হবে সেটা সে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মেনে নেবে না কিছুতেই। এর বিরুদ্ধে আরও পোক্ত প্রবাদ দেবে সে।