পড়াগের অবস্থার দায় আবার শিমুলের ঘাড়ে! সবার সামনে পলাশকে চড় মারল মধুবালা,পুতুলের সাথে তীর্থর বিয়ে দিতে নারাজ রঞ্জা!

মানুষের মধ্যে যখন শয়তান ভর করে তখন সে আপন পর সবকিছু ভুলে গিয়ে অত্যন্ত হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। নিজের আপন মানুষটা ভালো আছে না খারাপ আছে সেটা বোঝার অবস্থায় থাকে না সে। আর ঠিক সেটাই হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকের খলনায়ক পলাশের সাথে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পরাগের অনেক বড় একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও শিমুল বাড়ির কাউকে কিছু জানায়নি কারণ সে চাইনি এইসব কিছুর জন্য পুতুলের বিয়েটা বন্ধ হয়ে যাক। এত আয়োজন দ্বিতীয় বার করাটা মধুবালার ক্ষেত্রে অনেকটা চাপের হয়ে যাবে সেটা শিমুল খুব ভালো করেই জানতো। এই এত বড় একটা ঘটনার সুযোগ নিল পলাশ। ভাই হয়ে নিজের দিদির বিয়েটা ভেস্তে দিতে প্রথম পদক্ষেপ নিল সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায় বিয়ের মন্ডপে পুতুল তীর্থকে বলে, তার খুব খারাপ লাগছে কারণ শিমুল একবারও তার কাছে আসেনি। তীর্থ বলে শিমুল এলে তাকে খুব বকে দেবে সে। পুতুল এই কথাটা শুনে খুব খুশি হয়। তখন সেখানে উপস্থিত হয় পলাশ আর গোটা বিয়েটা ভেস্তে দেওয়ার জন্য তৈরি হয়ে আসে সে। পলাশ বলে এই বিয়ে বন্ধ করা হোক, তার দাদার অনেক বড় একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে আর তার এক্স বৌদি সেই কথা কাউকে জানাইনি অবধি। কথাটা শুনে অজ্ঞান হয়ে যায় মধুবালা। আর এই সুযোগে তীর্থঙ্করের বৌদি বলে ওঠে এই বিয়ে হবে না।

এমন একটা পরিস্থিতির মুখে পড়ে পুতুল খুব কান্নাকাটি করতে থাকে তখন তীর্থঙ্কর বলে সে যখন বিয়ে করতে এসেছে তখন বিয়ের সে ঠিক করবেই। এরপর যখন পুতুলকে সিঁদুর পরিয়ে দিতে যায় তখন আবার বাধা দেয় পলাশ। এসব দেখে মধুবালা পলাশকে সবার সামনে চড় মারে। তখন তো তুতুল বলে ওঠে, তারমানে শিমুল এতক্ষণ ধরে এই জন্যই এত অস্থির হয়েছিল আর সকাল থেকে ঠিক এই কারণেই তাদের বৌদি ভাই বিয়েতে কোন হাত লাগাতে পারেনি। তুতুল মধুবালা কে আরো একবার বুঝিয়ে দেয় যে ওই মেয়েটা এই পরিবারের জন্য ঠিক কতটা করে চলেছে।

আরো পড়ুন:দীপা অর্জুনের বিয়ে আটকাতে পৃথার সাহায্য নিল লাবণ্য! ইরার আসল পরিচয় জেনে গেল সূর্য!

এদিকে শিমুল বুঝতে পারে পরাগ সত্যি বদলে গিয়েছে। তারই কথা শুনে সুচরিতা বলে, এখন কি তবে সে আবার নতুন করে পরাগের সঙ্গে সংসার শুরু করার কথা ভাবছে? শিমুল বলে সেটা কখনোই নয় কিন্তু যে বদলে গিয়েছে তাকে সমর্থন তো করতেই হবে। শতদ্রু এসব জানতে পারলে হয়তো সত্যি রাগ করবে কিন্তু তাই বলে একটা মানুষের বিপদের দিনে তার কাছ থেকে কখনোই সরে যেতে পারবে না শিমুল। অন্যদিকে মধুবালা পরাগের কাছে আসার জন্য তৈরি হতে থাকে।