জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কার কাছে কই মনের কথা’ (Kar Kache Koi Moner Katha)। আপাদমস্তক নারীকেন্দ্রিক এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী মানালী দে। প্রথম প্রথম ধারাবাহিকের গল্প পারিবারিক ড্রামাকেন্দ্রিক হলেও, এই মুহূর্তে টিআরপি টানতে নারীকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে ধারাবাহিক। বর্তমানের দর্শক পারিবারিক কোন্দলের থেকে বেশি নারীকেন্দ্রিক গল্প পছন্দ করছেন।
চন্দনের পরকীয়া ধরে ফেলেছে শিমুল। বিপাশাকে সরাসরি বলতে গেলে শিমুলের কথা বিশ্বাস করে না সে। এমনকি সুচরিতারাও অবিশ্বাস করে শিমুল। কারণ চন্দনের উপর এত বড় দোষ দেওয়ার আগে চাই অকাট্য প্রমাণ। যা সেই মুহূর্তে শিমুলের কাছে ছিল না। কিন্তু বান্ধবীর জীবন কিছুতে নষ্ট হতে দেবে না সে।
ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি, শিমুল শ্বশুরবাড়িতে থাকাকালীন পুলিশ, আদালত কি না ঝঞ্ঝাট পোহাতে হয় তাকে। তখন দিনকয়েকের জন্য বিপাশার বাড়ি এসে থেকেছিল শিমুল। তখনই একদিন চন্দনকে চা দিতে গিয়ে চন্দন আর মধুমিতার কথা শুনে ফেলে সে। ধুরন্ধর চন্দন শিমুলকে দেখে ফোন রেখে দিলেও লক করতে ভুলে যায় সে।
লক না করা ফোনে শিমুল তখন মধুমিতার নাম ও নম্বর পায়। বাকি দুই বান্ধবীদের তখন সেই নাম ও নম্বর দিলে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে। অপরদিকে, বিপাশার মনে খটকা লাগে। শিমুল বুদ্ধিমতী। সে অহেতুক দোষ দেবে না। নিশ্চয় চন্দন কিছু একটা করেছে।
আরও পড়ুন: চন্দনের মুখোশ খুলতে শিমুলের পাশে দাঁড়ালো সুচরিতা, শীর্ষা! বিপাশাকে ভুল বুঝিয়ে তাদের বন্ধুত্ব ভাঙলো চন্দন
এই বলে একদিন চন্দনের পিছু বিপাশা। চন্দন সত্যিই মধুমিতার বাড়ি আসে। বাকি সবটা পরিষ্কার হয়ে যায় বিপাশার কাছে। বিয়ের এতদিন পর তাকে ঠকানোর কেন প্রয়োজন পড়ল চন্দনের? বিপাশা নিঃসন্তান। তাই কি তার এই দুর্দশা? চন্দন সন্তানের জন্য কি বিপাশাকে ছেড়ে বেছে নিল মধুমিতাকে? দিশেহারা লাগে ভেবে। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে সে। তবে কি ‘কার কাছে কই মনের কথা:র আসন্ন পর্বে অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে বিপাশার জীবনে?
View this post on Instagram





