অনেক ধারাবাহিকেই একঘেয়েমি কাটাতে, গল্পে নতুন মোড় আনতে নেওয়া হয় টাইম লিপ। ধারাবাহিকের গল্পে প্রায়ই এগিয়ে যায় সময়সীমা। গল্পের মোড় পালটে আরো বেশি নাটকীয় করে তুলতে সময় বদলানোর কোনও বিকল্প নেই। স্টার জলসার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘গুড্ডি’তেও এবার সেই ফর্মুলার প্রয়োগ দেখা গেল।
রণজয় শ্যামৌপ্তি অভিনীত এই ধারাবাহিকের গল্পের অতিনাটকীয়তা অনেক সময়ই গসিপের বিষয়বস্তু করে তুলেছে গুড্ডি ধারাবাহিককে। কিছুদিন আগে গল্পে মৃত্যু হয়েছিল রণজয় অভিনীত অনুজ চরিত্রটির। এবার একেবারে ভোল বদলে নতুন অবতারে ফের হাজির অভিনেতা। আগেই জানা গিয়েছিল এত তাড়াতাড়ি গুড্ডি ধারাবাহিক থেকে ছুটি পাবেন না অভিনেতা।
এই মুহূর্তে ‘গুড্ডি’র গল্প এগিয়ে গেছে ১৮ বছর। এর মধ্যে বড় হয়েছে অনুজের ছেলে পুবলু এবং গুড্ডির মেয়ে রেশমি। বড় হয়ে দুজনেই ফের সামনাসামনি এসেছে নতুন পরিচয়ে। ঋতুরাজ এবং ঋতাভরি নামেই মুখোমুখি হয়েছে ছোটবেলার রেশমি এবং পুবলু। এই দুই চরিত্রে আছেন রণজয় এবং শ্যামৌপ্তি। নতুন পর্বের শুরুটা বেশ পছন্দ করেছেন দর্শকরা।
গল্প এগিয়ে যাওয়ার ফলে, গুড্ডিতে দ্বৈত চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্যামৌপ্তিকে। গুড্ডি এবং মেয়ে রেশমি দুই চরিত্রই পর্দায় ফুটিয়ে তুলছেন অভিনেত্রী। শ্যামৌপ্তির অভিনয়ের প্রশংসাও করছেন অনেকেই। পাশাপাশি, রণজয়ের নতুন লুকও বেশ পছন্দ হয়েছে অনুরাগীদের। প্রসঙ্গত, গল্পের বাঁক পরিবর্তনেও দর্শকদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন যে পালিতা মেয়ে বড় হয়ে কীভাবে একই রকম দেখতে হল। এটা সত্যি অসম্ভব যেটা সম্ভব করেছেন লেখিকা লীনা গাঙ্গুলী।
তবে এইবার যা ঘটলো তাতে অবাক দর্শক মহল। যে গুড্ডি অনুজ বলতে অজ্ঞান, অনুজ মারা যাওয়ায় যে গুড্ডি বিবাহিত হওয়া সত্বেও সাদা থান পড়তেও দুবার ভাবেনি, সেই গুড্ডি হুবহু অনুজের মতন দেখতে পুবলুকে এত কাছ থেকে দেখেও একটুও বুঝতে পড়লো না। আর এটা সত্যি আশা করেননি দর্শকরা।এরকমটা সত্যিই শুধু মাত্র লীনা গাঙ্গুলীর লেখনীতেই সম্ভব। এই দৃশ্য দেখার পর ফের সমালোচনার মুখে গুড্ডি।





