পরাগকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলো শিমুল, বিয়ে আটকাতে শিমুলকে চরম সর্বনাশের মুখে ঠেলে দিল পলাশ!

এত বড় একটা সিদ্ধান্ত হয়তো জীবনে খুব কম মেয়েই নিতে পারে। বর্তমানে নিজের জীবনের এমনই একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল শিমুল। জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বাস্তববাদী একটি ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথার (Kar Kache Koi Moner Kotha) বর্তমান পর্বগুলি মন জয় করে নিচ্ছে ভক্তদের। সম্প্রতি নতুন করে জীবনটা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিল ধারাবাহিকের নায়িকা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, একটি বড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বর্তমানে পঙ্গু হয়ে বিছানায় শয্যাশাই অবস্থায় নিজের জীবনের শেষ দিনগুলো কাটাচ্ছে ধারাবাহিকের নায়ক পরাগ। এই অবস্থার জন্য সে সবসময় নিজেকে দোষারোপ করে চলেছে। তার মনে হচ্ছে আর খুব বেশি দিন বাঁচবে না সে। খুব তাড়াতাড়ি তার অন্তিম সময় ঘনিয়ে আসতে চলেছে। তাই তার আগেই নিজের চাকরিটা শিমুলকে দিয়ে যেতে চায় পরাগ।

Kar kache koi moner kotha, Zee Bangla, Bengali television, Bengali serial, কার কাছে কই মনের কথা, জি বাংলা, বাংলা টেলিভিশন, বাংলা সিরিয়াল

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, এতদিন ধরে শিমুল যা যা দেখে এসেছে দাদা শুনে এসেছে সমস্ত কিছুকে মাথায় রেখে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে। তার সিদ্ধান্ত সে সবাইকে জানাতে চায়। তাই তীর্থ, পুতুল, মধুবালা, কাকিমা, তুতুল, তার প্রতিবেশী বান্ধবীরা অর্থাৎ যারা এই মুহূর্তে তার বাঁচা মরার সঙ্গী সবাইকে একত্রিত করে সে। সবাই ভীষণ ভয় পেয়ে থাকে কারণ এর আগে শিমুল কখনো এরকম কিছু করেনি। সবাই জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকে যে শিমুলের ঠিক কি হয়েছে, কি বলতে চাইছে শিমুল?

সবাই নিজের নিজের মতো করে যতটা খারাপ ভাবা সম্ভব ততটাই ভেবে ফেলে। মধুবালা ভাবে শিমুল হয়তো এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেটা হলো যে তাদের পরিবারটা একেবারে ভেসে যাবে সেটা খুব ভালো করে বুঝতে পারছে মধুবালা তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ে সে। শিমুল তখন বলে, সবাই যদি চুপ করে তার কথাটা শুনে তাহলে অনেকের অনেক দ্বিধা দূর হবে। তখন তীর্থ বলে শিমুলকে তার কথাটা বলতে দেওয়া হোক।

আরও পড়ুনঃ সূর্যকে ফোন করে সব সত্যি বলে দিল সোনা! সব শুনে অপরাধবোধে জর্জরিত হয়ে পড়ল সূর্য! টিভির আগেই ফাঁস নতুন পর্ব

শিমুল তখন বলে, “আমার আর পরাগের অনেকদিন আগেই ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে ঠিকই কিন্তু আমি আবার আমাদের বিয়েটা রিনিউ করতে চাই। জানি এটা শুনতে হয়তো তোমাদের অবাক লাগবে কিন্তু এটাই সত্যি।” এটা শুনে ভীষণ খুশি হয়ে যায় মধুবালা সহ বাড়ির প্রত্যেকে। যেখানে সবাই প্রায় ঘরছাড়া সেখানে শিমুল যদি একটা ঘর পায়, তাহলে ক্ষতি কি। পরাগ এই কথা শুনে আনন্দে কেঁদে ফেলে। সে বলে একবার সইটা হয়ে গেলেই আমি চাকরিটা শিমুলকে পাইয়ে দেওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা করে ফেলবে। সবাই তখন বলে পলাশ কথাটা জানলে খুব রাগ করবে। মধুবালা বলে পলাশের কথায় তার কিছু যায় আসে না।