বিয়ের বন্ধন নাকি জন্ম জন্মান্তরের। একবার বিয়ে হয়ে গেলে সেই বন্ধন নাকি এত সহজে ভেঙে ফেলা যায় না। জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি দর্শকদের সামনে এই বিষয়টাই আবার প্রমাণ করলো। বিচ্ছেদ ঘটে যাওয়ার পরেও আবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে শিমুল আর পরাগ।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সম্প্রতি শিমুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে পরাগকে বিয়ে করবে। বহুদিন যাবত পরাগের সেবা করে চলেছে সে। তার মনে হয়েছে, যখন একটা মানুষের দায়িত্ব সে নিচ্ছে পাশাপাশি তার মাকেও দেখছে তখন এই সম্পর্কের একটা নাম দেওয়া প্রয়োজন। তার এই সিদ্ধান্তে ভীষণ খুশি হয় মধুবালা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বতে দেখা যায়, বিয়ের প্রস্তুতি চলছে শিমুলের শ্বশুরবাড়িতে। সবাই মিলে অর্থাৎ সুচরিতা শীর্ষা বিপাশা প্রত্যেকে শিমুলকে সাজাতে ব্যস্ত। শিমুল জানায় এসব কিছুর দরকার নেই। কারণ এই বিয়েটা সে ভালোবেসে করছে না। পরাগের এই মুহূর্তে তাকে পাশে দরকার সে জন্যই বিয়েটা হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও বিপাশা শিমুলকে সুন্দর করে তৈরি করতে থাকে। সে বলে যে কারণের জন্যই বিয়েটা হোক না কেন এরপর থেকে আবার তারাই স্বামী স্ত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হবে আর এটাই সত্যি। তাই কোন খামতি থাকা উচিত নয়।
শিমুল বলে, “এই বিয়েটার বিনিময়ে আমি পরাগের চাকরিটা পাবো আর এটা আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। এই চাকরিটা আমি নিজের যোগ্যতায় পাচ্ছি না। এটা কারুর দান।” বিপাশা বলে, সবাইকে দেখে রাখার জন্য এই চাকরিটা অত্যন্ত জরুরী। তাই কিভাবে চাকরিটা পাওয়া যাচ্ছে সেটা বড় বিষয় নয়। অন্যদিকে পুতুল তার ভাইয়ের আবার বিয়ে দিচ্ছে এটা ভেবেই সে খুব খুশি। আবার শিমুল তাদের বাড়ির বউ হতে চলেছে। স্বপ্নটা দেখেছিলে সেটা যে মিলে গেছে সেটার জন্য আনন্দে ভরে উঠেছে তার মন।
আরও পড়ুনঃ জলসার আসন্ন ধারাবাহিকে নায়িকা চরিত্রে মিশকা! পার্শ্ব চরিত্রে থাকছেন কারা? জানলে চমকে যাবেন আপনিও
বিপাশা শিমুলকে জিজ্ঞাসা করে শতদ্রুর জন্য তার কষ্ট হচ্ছে না? শিমুল বলে, “সেই কষ্টটা আমার সম্পূর্ণ একার। আমার মনে হয় শতদ্রু নেই এটা বেশ ভালই হয়েছে। ও নিজের বাড়িতে ফিরে যাক শান্তিতে থাকুক। আমার থেকে বেশি খুশি আর কেউ হবে না।” এর মাঝেই চলে আসে উকিল। মধুবালা পরাগের শিমুলকে ডাকার জন্য তুতুলকে পাঠায়। তুতুল দুই জনকেই নিয়ে আসে। এরপর রেজিস্ট্রির জন্য তৈরি হয়ে যায় পরাগ আর শিমুল।





