রাস্তার মাঝে বে’ধ’ড়’ক পি’টি’য়ে মিশকাকে পুলিশের হা’তে ধ’রি’য়ে দেয় দীপা, অর্জুনের সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিল সে!

শুধু জন্ম দিলেই বাবা হওয়া যায় না। যেটা কখনোই হতে পারেনি স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়ক সূর্য। কিন্তু নিজের জীবন বিপন্ন করে দুটো বাচ্চার জীবন বাঁচিয়ে জন্ম না দিয়েও নিজেকে সত্যিকারের বাবা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে অর্জুন। বর্তমানে তার অভিনয় মুগ্ধ করছে ভক্তদের। তার প্রতি দর্শকদের শ্রদ্ধা যত দিন যাচ্ছে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীপা আর অর্জুন অনেক বুদ্ধি করে মিশকার হাত থেকে সোনা রুপা আর বীরকে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু খুব বেশি দূরে যেতে পারে না তারা। তার আগেই তাদেরকে ধরে ফেলে মিশকা। অর্জুনের দিকে বন্দুক তাক করে সে বলে, যদি সে নিজে প্রাণে বাঁচাতে চায় এবং সোনা রুপাকে বাঁচাতে চায় তাহলে যেনো না পালায়। কিন্তু অর্জুন শোনেনি। সে তার প্রাণের তোয়াক্কা করে এগিয়ে যায়।যার ফল স্বরূপ মিশকা অর্জুনের ওপর গুলি চালায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সব যখন একেবারে শেষের দিকে, আর কোনভাবেই যখন অর্জুনকে আর সোনা রুপাকে বাঁচানোর কোন উপায় নেই ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে দীপা আর সে সাথে করে নিয়ে আসে পুলিশকে। তাতেও মিশকা একটুও ভয় পায় না কারণ তার কাছে একটা বন্দুক ছিল। কিন্তু দীপা সেই বন্দুক ফেলে দেয় আর রাস্তার মাঝখানে মিশকাকে পেটাতে থাকে। মার খেতে খেতে মিশকা বলে দীপা কোনদিনও অর্জুনকে বাঁচাতে পারবে না। দীপা তখন তাড়াতাড়ি মিশকাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে অর্জুনকে নিয়ে চলে যায় হাসপাতালে। অর্জুনকে দাঁড় করানোর সময় ওজনের হাতে রক্ত দীপার সিঁথি রাঙিয়ে দেয়।

হাসপাতালে গিয়ে জানা যায় অর্জুনের অনেকখানি রক্ত শরীর থেকে বেরিয়ে গিয়েছে তাই একজন রক্তদাতা লাগবে। দীপা সেই রক্তদাতার সন্ধান দেয় ডাক্তারদের। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ধরে অস্ত্রপচার চলে। শেষমেষ বিপদমুক্ত হয় অর্জুন। আর এই ঘটনায় খুশি হয় সোনা আর রুপা। পৃথা অর্জুনের জন্য খাবার বানিয়ে আনে। এই সবকিছুতে পৃথার প্রতি একটু নরম হয় ওর অর্জুন। খোকা একটু একটু করে পৃথাকে বিশ্বাস করতে শুরু করে। অন্যদিকে ভিক্টর আবার তিস্তাকে ভুল বুঝিয়ে তার মাথায় টুপি পড়ানোর চেষ্টা করে। তিস্তা ভিক্টরকে দেখে বুঝতে পারে না, তার বিশ্বাস করা উচিত নাকি উচিত নয়।

আরো পড়ুন: “পরিস্থিতির চা’পে অনেক কিছু ত্যা’গ করতে হয়”- সূর্য নাকি অর্জুন কার সাথে মিল হবে দীপার? নিজের মুখেই জানালেন স্বস্তিকা!

অন্যদিকে, ডাক্তার জানায় অর্জুনের জন্য একজন খেয়াল রাখার লোক বা আয়া নিয়োগ করতে হবে। দীপা তখন বলে, এসবের দরকার নেই কারণ সে নিজেই সবকিছুর দায়িত্ব নেবে। এমনভাবে পাশে থাকাটাকে খুব উপভোগ করে অর্জুন। সে দীপাকে ভালোবাসে। তাই সেও মন থেকে চাইছিল তার এই অবস্থায় দীপা সব সময় তার পাশে থাকুক। দীপা অর্জুনকে খাইয়ে দেয় এবং বাদবাকি সমস্ত দায়িত্ব পালন করে। দীপা বলে, তার জন্য অর্জুন দা কষ্ট পাচ্ছে এটা সে সহ্য করতে পারছে না। এটা শুনে অর্জুন দীপাকে বলে অনেকদিন আগেই দীপার কষ্টের সাথে তার কষ্ট মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। একটু একটু করে দুজনের মধ্যে দূরত্ব কমতে থাকে।