বর্তমানে জমে উঠেছে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি। ফের শিমুলের জীবনে নেমে এসেছে নতুন ঝড়। শিমুলকে একা করে দিয়ে চলে গিয়েছে পরাগ অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়ক। এতদিন এই নায়ককে দর্শকরা পছন্দ করতেন না কিন্তু বর্তমানে নায়ক এবং নায়ক নায়িকার জুটি এই দুজনকেই দর্শকরা ভীষণ পছন্দ করেন। যার জন্য এখন মন খারাপ ভক্তদেরও। টিআরপি তেমন কোনো পাকাপাকি জায়গা তৈরি করতে না পারলেও দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে শিমুল।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, চির অসুখী এই ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুল। অনেক অত্যাচার সহ্য করে অনেক অন্যায়ের বিরোধিতা করার পর বর্তমানে তার জীবনে খারাপ সময় পাল্টেছে। তার স্বামী শাশুড়ি মা দুজনেই এখন নিজেদেরকে একেবারে বদলে ফেলেছে। শিমুলের শাশুড়ি মা তাকে চোখে হারায়। আর স্বামী পরাগও তাকে অনেক ভালোবাসে। শিমুলও এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তারপরেও এই সুখ তার কপালে সহ্য হলো না, ছারখার হয়ে গেলো তার গোটা জীবন। পরাগ নিজের বাড়ি ছেড়ে কাউকে কিছু না জানিয়েই বেরিয়ে গিয়েছে। এখন তাকে রাস্তায় রাস্তায় খুঁজে বেড়াচ্ছে শিমুল।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শিমুল চলে গিয়েছে পুলিশ অফিসারের কাছে। সেখানে তাকে পুলিশ অফিসার জানায়, তারা সম্পূর্ণ চেষ্টা করবে পরাগকে খুঁজে বের করার। কিন্তু উনি যদি আর বাড়ি ফেরার অবস্থায় না থাকেন তাহলে আর কিছু করার নেই। উনি একই অসুস্থ তাই উনি যদি কোন অ্যাক্সিডেন্টের শিকার হন তাহলে সত্যি পুলিশের আর কিছু করার থাকবে না। কথাগুলো শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় শিমুল। সে কখনোই চায় না তার স্বামী তার জীবন থেকে হারিয়ে যাক। নিজে কি করবে কিছুই বুঝে উঠতে না পেরে অবশেষে বাড়ি ফিরে আসে সে।
বাড়ি ফিরে অন্য এক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাকে। পলাশ অর্থাৎ তার দেওর ক্রমাগত তাকেই অর্থাৎ শিমুলকেই এই সব কিছুর জন্য দোষারোপ করতে থাকে। সে বলে শিমুল হয়তো অন্য কারো সাথে থাকতে চায় ওই জন্য আগেভাগেই তার দাদাকে সরিয়ে দিল। এসব শুনে চুপ করে থাকে মধুবালা। যেটা দেখে বেশ অবাক লাগে সুচরিতার। সে এসে মধুবালা কে বলে, “আপনি তো আবার এই রকম সময়গুলোতে পাল্টে যান আর আপনার বউমারই দোষ দেখেন। এখনো আবার সেরকমই কিছু করছেন না তো?” মধুবালা বলে সে এরকম কিছুই ভাবছে না। একবার পরাগ বাড়ি ফিরলেই সে পলাশকে মজা দেখাবে।
আরো পড়ুন: পৃথার সমস্ত শ’য়’তানি ধরে ফেলল দীপা, অর্জুনের সামনেই তার মুখোশ টে’নে ছি’ড়ে ফেললো সে!
এদিকে আনমনা হয় হাঁটতে হাঁটতে একটা গাড়ির সামনে চলে আসে পরাগ। ফলে একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে এবং পরাগ পড়ে যায় মাটিতে। তার মাথা অনেকটা ফেটে যায়। সেখানকার লোকজন এই ঘটনা দেখে বেশ ভয় পেয়ে যায় কিন্তু তারা কিছুতেই সেই লোকটিকে ছাড়তে চায় না। ওইখানকার এলাকার লোকজন বলে আগে পুলিশ ডাকা হবে তারপরে ওই লোকটি ছাড়া পাবে। ওই লোকটা বলে, তার কোন দোষ ছিলনা। কিন্তু সবার আগে ডাক্তারকে খবর দেওয়া প্রয়োজন। এসব কথা চলতে চলতেই চলে আসে পুলিশ। পুলিশ পরাগের অবস্থা দেখে তাকে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য নিয়ে যাওয়ার হুকুম দেয়।





