দু’র্ঘ’টনার ক’ব’লে পড়ে নিজের স্মৃতিশ’ক্তি হারালো পরাগ, সেই সুযোগ নিয়েই শিমুলের চরম ক্ষ’তির ফ’ন্দি এঁ’টে ফেলল পলাশ!

রাগ জেদ অহংকার এবং প্রতিহিংসা পরায়ণ মানসিকতা একটি মানুষকে অধঃপতনের চূড়ান্তে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ফিরে আসাটা বেশ কষ্টকর। এই মুহূর্তে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথায় (Kar kache koi moner kotha) নায়িকা শিমুলের দেওর পলাশ ঠিক এমনই এক মানুষ রূপী শ’য়’তা’নে পরিণত হয়েছে।

শুরু থেকে পলাশের ব্যবহার মোটেই ভালো লাগেনি দর্শকদের। আদ্যপান্ত একটা নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যাচ্ছে পলাশকে। সে এতটাই নষ্ট হয়ে গেছে এতটা নিচু মানসিকতার একটা ছেলে হয়ে গেছে যে, নিজের বৌদির গায়ে হাত দিতে কিংবা নিজের মাকে দুটো নোংরা কথা বলতেও তার অসুবিধা হয় না। অনুতাপ নামের জিনিসটা তার মধ্যে নেই। মানুষ অবধি খুন করতে পারে পলাশ।

কার কাছে কই মনের কথা আজকের পর্ব ১৭ এপ্রিল (Kar kache koi moner kotha Today Episode 17 April)

ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, পলাশ তার বৌদি অর্থাৎ শিমুলকে কবে, “দাদা থাকলে তো তোমার অন্য কাউকে আনতে সমস্যা হচ্ছিল তাই তুমই দাদাকে সরিয়ে দিয়েছো। আর শোনো মা, তোমাকে ও দেখবে ভাবছো? ওসব কিচ্ছু দেখবে না। দাদার মরার খবরটা পেলেই ও অন্য কারোর হাত ধরে চলে যাবে।” এসবের তীব্র প্রতিবাদ জানায় বিপাশা। যার ফলে পলাশ বিপাশাকে অবধি কথা শোনাতে ছাড়েনি। সে বিপাশাকে বলে, “তোমার বর তো তোমায় ছেড়ে দিয়েছে, তুমি বড় বড় কথা বলছো কোন মুখে।”

অন্যদিকে, পরাগের আবার একটা দুর্ঘটনা ঘটে। সে অনেক কষ্ট করে ভারী সুটকেস নিয়ে রাস্তা দিয়ে চলার চেষ্টা করছিল। এমন সময় একটা গাড়ি এসে পরাগকে পিছন থেকে ধাক্কা মারে। সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। মাথাটা অনেকটা ফেটে যায়। সেখানে তাড়াতাড়ি পুলিশ চলে আছে। পরাগকে হাসপাতালের ভর্তি করতে নিয়ে যায় পুলিশ। অন্য দিকে শিমুল মধুবালা সবাই চিন্তা করতে থাকে।

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, অবশেষে পরাগের খোঁজ পেয়েছে শিমুল। কিন্তু দুর্ঘটনার ফলে সমস্ত স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলল পরাগ। শিমুল হাসপাতালে এসে পরাগকে বলে, “তোমার চাকরিটা আমাকে দিয়েছো বলে এত কষ্ট হল যে বাড়ি থেকেই চলে গেলে?” এরপর পরাগের মাথায় হাত দিতে গেলেই সে শিমুলের হাত সরিয়ে দেয়। আর জিজ্ঞাসা করে, “আপনি কে?” ভয়ে মুখটা ফ্যাকাসে হয়ে যায় শিমুলের। আবার কোন নতুন দুর্গতির মধ্যে দিয়ে যেতে হবে শিমুলকে?