অপরাধ করতে করতে একেবারে পরিপক্ক দাগী আসামিতে পরিণত হয়েছে জি বাংলা (Zee Bangla) -র কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটির খলনায়ক এবং খলনায়িকা অর্থাৎ পলাশ এবং প্রতীক্ষা। এতদিন ছোটো খাটো অপমান অসম্মানে আটকে ছিল তারা, এইবার শিমুলকে সোজা মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে ফেলল পলাশ প্রতীক্ষা।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, একটা অনেক বড় দুর্ঘটনার কবল থেকে বেঁচে ফিরেছে পরাগ। সে বাড়ির সবার সামনে পাগল সাজার অভিনয় করে চলেছে। কারণ এই অভিনয় তাকে অনেক সত্যের সম্মুখীন করছে যেটা সুস্থ থাকাকালীন সে কোনভাবেই জানতে পারত না। প্রতীক্ষা আর পলাশ যে শিমুলের ক্ষতি চাইছে আর কিছুদিনের মধ্যেই যে সেই ক্ষতিসাধন করতে তারা উদ্যত হবে সেটাও পরাগ এই ভাবেই জানতে পেরেছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পুতুল বারবার তার দাদার সাথে দেখা করতে চায়। ঠিক তখনই সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসে পলাশ আর প্রতীক্ষা। তারা বলে তাদের জরুরী কাজ আছে তাই এক্ষুনি বেরোতে হবে। এরপর কথায় কথায় প্রতীক্ষা আর পুতুলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে তীর্থঙ্কর প্রতীক্ষাকে বলে, নিজের মুখ সামলে রাখতে। যদিও পলাশ আর প্রতীক্ষা কেউই এই বচসা বাড়াতে চাইনি কারণ তাদের অন্য কাজ রয়েছে।
এদিকে দেখা যায় পুতুল নিজের দাদাকে ডাকতে গেলে কোথাও তাকে খুঁজে পায় না। এই ঘটনা মধুবালাকে জানাতেই ভীষণ ভয় পেয়ে যায় মধুবালা। সে ভাবে আবার হয়তো পরাগ কোথাও একটা চলে গিয়েছে কারণ এখন তার ছেলের মাথা ঠিক নেই। তীর্থঙ্কর মধুবালাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। অন্যদিকে শিমুল যখন স্কুল শেষ করে বাড়ির পথে ফিরছে তখন গোটা রাস্তা তার বেশ জনমানবহীন নিস্তব্ধ বলে মনে হয়। এমনটা তার সঙ্গে কখনো হয়নি। আর শিমুলের ওপর নজর রাখতে থাকে পরাগ। ছদ্মবেশ নিয়ে সে শিমুলের চারপাশেই ঘোরাফেরা করে।
আরও পড়ুন: পুলিশের ছ’দ্ম’বে’শ নিল পরাগ! শিমুলকে বাঁ’চা’তে ব’ন্দু’ক হাতে পলাশের মুখোমুখি হলো সে!
এরপর দেখা যায় পলাশ আর প্রতীক্ষা মুখ ঢাকা দিয়ে নেমে পড়েছে তাদের কাজে। শিমুলকে একা পেয়ে তার মুখ চেপে ধরে পলাশ। ঠিক সেই সময় সেখানে চলে আসে পরাগ। সে বন্দুকটা বার করে পলাশের দিকে তাক করে আর তাকে বলে, এখনই যেন সে শিমুলকে ছেড়ে দেয়। না হলে সেগুলো চালিয়ে দেবে। এসব দেখে ভয় পেয়ে শিমুলকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায় পলাশ আর প্রতীক্ষা। আর ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে পুলিশের গাড়ি। এরপর তারাই শিমুলকে বাড়ি অবধি পৌঁছে দেয়। কিন্তু যে তার প্রাণ বাঁচিয়েছে তার গলাটা ভীষণ চেনা চেনা মনে হয় শিমুলের।





