শিমুলের কথার জালে জড়িয়ে পড়ে নিজের দোষ স্বীকার করলো পলাশ! নিজেকে বাঁচাতে স্বামীর ঘরে দোষ চাপানো প্রতীক্ষা!

বর্তমানে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত সব থেকে বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক বলতে যার নাম নেওয়া হয় সেটি হল কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। এই ধারাবাহিকটি প্রত্যেকদিন দর্শকদের সামনে এমন অনেক জিনিস তুলে ধরে যেগুলি সমাজের প্রতিটি মানুষের সঙ্গেই কম বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু মানুষ সেটাকে এড়িয়ে চলে। এই ধারাবাহিক সেই প্রত্যেকটি জিনিস থেকে দর্শকদের সাবধান এবং সতর্ক করে চলেছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এই মুহূর্তে শিমুলকে একেবারেই সহ্য করতে পারছে না পলাশ আর প্রতীক্ষা। প্রতীক্ষা যখন দেখছে তার সামনে দিয়ে শিমুল চাকরি করতে যাচ্ছে আর এদিকে নিজের দোষে নিজের চাকরিটা সে হারিয়ে ফেলেছে তখনই রাগে জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে। আর কোন ছোটখাটো কাজ করে ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করতে চায় না প্রতীক্ষা। এইবার একেবারে শিমুলকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে সে।

পলাশের সাথে হাত মিলিয়ে শিমুলের স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময়টাকেই উপযুক্ত বলে বেছে নিয়েছিল তারা। বাড়ি আসার পথে তারা ঠিক করেছিল শিমুলকে একেবারে শেষ করে দিয়ে তার বডিটা কোন পুকুর বা নদীতে ভাসিয়ে দেবে। কিন্তু তাদের কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে পরাগ। সে ঠিক ওই সময় সেখানে পৌঁছে যায় আর শিমুলকে বাঁচিয়ে নেয়।

এরপর শিমুল পলাশের উপর নিজের সন্দেহের কথা পুলিশকে জানায়। সব কেমন যেন মিলে যেতে থাকে। ঠিক ওই সময়েই পলাশ আর প্রতীক্ষার বাড়িতে না থাকা বিষয়টা সেই সন্দেহটাকে আরো জোরালো করে তোলে। পরাগ বলে, এর যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কে আসল দোষটা করেছে সেটা না বের করতে পারলে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

আরো পড়ুন: অনুরাগের ছোঁয়ায় ধুন্দুমার পর্ব! সিঁদুর দানের আগেই এসে হাজির হলো সূর্য! তবে কি এক হবে না অর্জুন দীপা?

কথার চাপে পলাশের পেট থেকে বেরিয়ে এল আসল সত্যিটা

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পলাশ আর প্রতীক্ষা বাড়ি ফিরে এসেছে। তাদেরকে দেখে শিমুল জিজ্ঞাসা করে, তারা কি সেই রাস্তাটায় ছিল যখন তার সঙ্গে এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। পলাশ একবারও জানতে চায় না কোন রাস্তা। তারা বলে ওঠে সেই সময় সেই রাস্তায় তারা ছিল না। তখন শিমুল বলে, সে তো একবারও বলেনি কোন রাস্তার নাম তাহলে রাস্তা কথাটা শুনেই তারা এত ভয় পেয়ে যাচ্ছে কেন? এর উত্তর কারো কাছেই থাকে না।