পলাশের পরবর্তী চাল ধরে ফেলল শিমুল! ফের অবিশ্বাসের ছায়া মধুবালার চোখে! নিজের জেদে অনড় নায়িকা

একঘেয়েমি থেকে সরে গিয়ে বর্তমানে বেশ অন্যরকম একটি রহস্যময় গল্প সম্প্রচার করছে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের একটি অত্যন্ত বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। বেশ কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকের টিআরপি একেবারেই তলানিতে। তবে এইবার টিআরপি কিছুটা বাড়বে বলেই আশা করছে দর্শক মহল। বর্তমানে নায়ক নায়িকার জুটিকেও পছন্দ করছে ভক্তরা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শিমুলকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে পলাশ আর প্রতীক্ষা। শিমুল বুঝতে পেরেছে তারা ছাড়া এই কাজ আর কেউ করতেই পারে না কারণ তার সাথে এত খারাপ সম্পর্ক আর কারো নেই। তাই শিমুল নিঃসঙ্কোচে পুলিশের কাছে বলে পলাশ আর প্রতীক্ষাকেই সন্দেহ করছে সে। এরপর নিজেদের মতন করে তদন্ত শুরু করে দেয় পুলিশ। আর এই ঘটনায় প্রচন্ড ভয় পেয়ে গিয়েছে পলাশ। কারণ যত সময় যাচ্ছে তার ধরা পড়ার সম্ভাবনা আরো বেড়ে যাচ্ছে।

পরাগে হাতেনাতে ধরল শিমুল

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শিমুল বারবার তার কথাই পরাগের সামনে বলতে থাকে যে তাকে ওই আসন্ন মৃত্যুর হাত থেকে উদ্ধার করেছিল। পরাগ বলে, পুলিশ তো তদন্ত করছে। সে নিশ্চয় খুঁজে বার করবে। শিমুল বলে, “পুলিশ আগে তাকে খুঁজে বার করতে চাইবে যে বা যারা আমাকে মারতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি জানতে চাই কে আমাকে বাঁচাতে চেয়েছিল। কারণ যেই কাজটা করেছে সে আমাকে খুবই ভালোবাসে।” পরাগ এই কথায় সম্মতি জানায়। এরপরে আলমারি খুলতেই পরাগের সেই জামাকাপড় বেরিয়ে আসে শিমুলের হাতে। যেটা দেখে শিমুলের মনে যেটুকু দ্বিধা ছিল সেটুকুও শেষ হয়ে যায়।

পরাগ বলে এটা তার নাটকের পোশাক। শিমুল জিজ্ঞেস করে কোন নাটক? পরাগ তো আগে এই নিয়ে তাকে কিছু বলেনি! পরাগ বলে, “তোমার কি দরকার ছিল ওসব বের করার।” শিমুল বলে, সেদিন তাকে যে বাঁচিয়েছিল সেও এইরকমই পোশাক পড়েছিল। পরাগ বলে, শিমুল যদি ভেবে থাকে এই কাজটা পরাগ করেছে তাহলে সে খুব ভুল ভাবছে কারণ তার পক্ষে এমন কিছু করা সম্ভব নয়। শিমুল আসল সত্যিটা ঠিকই বুঝতে পারে কিন্তু এটা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারেনা পরাগ কেন নাটক করে চলেছে।

আরো পড়ুন: নতুন ঝড়ের সম্মুখীন দীপার জীবন! হারিয়ে গেল বীর, বাচ্চা বিক্রির অপরাধে ফেঁসে গেল সে! ভেস্তে গেল বিয়ে!

নিজেকে বাঁচাতে মধুবালার দারস্ত পলাশ

পলাশ আর প্রতীক্ষা বুঝতে পারে এখন যদি তাদেরকে কেউ বাঁচাতে পারে তাহলে সেটা একমাত্র মধুবালা। তাই তারা আর দেরি না করে মধুবালার কাছে গিয়ে বারবার বলতে থাকে শিমুল যেন এই কেসটা তুলে নেয়। কারণ এই থানা পুলিশ তাদের একদম ভালো লাগছে না। আর তারা কেনই বা শিমুলকে মারতে চাইবে। এসব শুনে মধুবালার মনে হয়, শিমুল তো তার মুখ দেখেনি যে তাকে মারতে চেয়েছিল তাহলে কেন শুধু শুধু পলাশের ওপর সন্দেহ করছে সে! মধুবালা বলে সে আগামীকাল শিমুলকে বলবে কেসটা তুলে নিতে। এটা আগের থেকেই আন্দাজ করতে পেরেছিল শিমুল তাই সে মনে মনে দৃঢ় সংকল্প নেয় যে এর শেষ সে দেখেই ছাড়বে।