গীতার জীবনে উঠলো নতুন ঝড়! মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল স্বস্তিক! তাকে বাঁচাতে ছুটে এল গীতা!

এই মুহূর্তে স্টার জলসা (Star Jalsha) চ্যানেলে সম্প্রচারিত সবথেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিকটি হচ্ছে গীতা LLB (Geeta LLB)। কারণ টিআরপি তালিকায় জলসার অন্য কোনো মেগা এই ধারাবাহিকের মতন জায়গা দখল করতে পারেনি। ধারাবাহিকের নায়িকার চরিত্রে জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিয়া মুখোপাধ্যায় এর অভিনয় আরো বেশি মুগ্ধ করছে ভক্তদের। তিনি একাই দর্শকদের আকর্ষণ করার জন্য যথেষ্ট।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বহুদিন ধরে অনেক যুদ্ধ চলার পর অনেকগুলো শুনানি হওয়ার পর শেষমেষ জয় হল গীতার। পদ্মকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিয়ে কৃপাণকে তিন বছরের শাস্তির ভাগীদার করলো গীতা। এই প্রথম এত বড় একটা জটিল কেসে জয়লাভ করলো গীতা। তবে এই জিতে অনেকেই অখুশি। গীতার ওপর অনেকের আক্রোশ আরো ১০০ গুণ বেড়ে গিয়েছে এই ঘটনার পর থেকে।

ব্রজবালা দেবীকে মা বলে ডাকলো না অগ্নিজিৎ

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অগ্নিজিৎ মুখার্জী বাড়িতে প্রবেশ করতেই তার মা ব্রজবালা দেবী তাকে বলে, “তুই কথা দিয়েছিলি যদি গীতা এই কেসটা জিতে যায় তাহলে তুই আমায় মা বলে ডাকবি। তাহলে এখন নিজের কথাটা রাখার সময় এসে গেছে। ডাক আমায় মা বলে।” এই শুনে অগ্নিজিৎ বলে, “আমি উচ্চ আদালতে আপিল করবো। এত তাড়াতাড়ি আমি আমার হার মেনে নেবো না। আমি এই কেস এখনো হারিনি।” ব্রজবালা মনে মনে ভাবে, একদিন এত কষ্ট করে সে যাকে বড় করেছে সেই ছেলে আজ এই প্রতিদান দিচ্ছে।

গীতাকে বিয়ে করতে উদ্যত স্বস্তিক

এদিকে স্বস্তিক গীতাকে ফোন করে বলে, “লেডি সালমান খান, আপনি কিন্তু আমায় কথা দিয়েছিলেন। এই কেসটা জিতলে আমরা বিয়ে করবো। এখন কিন্তু আপনাকে সেই কথা রাখতে হবে। আর আমি জানি আপনি সেই কথা রাখবেন। কারন আমার মত আপনাকে কেউ ভালবাসতে পারবে না। কালকে তৈরি হয়ে থাকবেন। কাল আমরা মন্দিরে গিয়ে আমাদের বাদবাকি বিয়েটা সেরে ফেলবো। আমার তো ভেবেই এত ভালো লাগছে, কাজে করতে কতনা ভালো লাগবে।”

আরও পড়ুন: রোশনাই ধারাবাহিকে নেমে এলো শোকের ছায়া! মারা গেলেন ধারাবাহিকের প্রধান চরিত্রাভিনেত্রী!

স্বস্তিককে বাঁচাতে ছুটে এলো গীতা

এরপর স্বস্তিক চলে যায় নিজের মায়ের কাছে। সেখানে গিয়ে সেই গীতার জন্য রাখা গয়না গাটি শাড়ি সবকিছু চায়। স্বস্তিক বলে, পরের দিনই সে গীতাকে বিয়ে করতে চলেছে। স্বস্তিকের এই মতামতের তীব্র প্রতিবাদ জানায় সত্তিক। পরের দিন হতেই স্বস্তিক গীতাকে ফোন করে বলে, সে বরের বেশে একেবারে তৈরি। এবার শুধু মন্দিরে গিয়ে সিঁদুর দানের পালা। এমন সময় স্বস্তিকের মাথায় পিছন দিক থেকে কেউ অনেক জোরে আঘাত করে আর স্বস্তিক মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। কিছু একটা বিপদ হয়েছে বুঝতে পেরে চিৎকার করে ওঠে গীতা। কিন্তু স্বস্তিকের আর কোন সারা শব্দ পাওয়া যায় না।