Kar Kache Koi moner kotha Today Epidode: সম্পত্তি পাওয়ার জন্য মানুষ যা নয় তাই করতে পারে। বর্তমানে বহু বাড়িতে দুই ভাইয়ের মাঝে এই সম্পত্তি ঘরবাড়ি, বিষয়ে আশয়কে কেন্দ্র করে ঝগড়া ঝামেলা হতে দেখা যায়। যেখানে খুনোখুনি অবধি হওয়ার খবর মেলে। ঠিক সেই বাস্তব ঘটনাটাকেই ধারাবাহিকের পর্দায় তুলে ধরছে জি বাংলার (Zee Bangla) কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পরাগ যে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে এটা অনেকটাই আন্দাজ করতে পেরেছে পলাশ আর প্রতীক্ষা। সে যদি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায় তাহলে আবারও বাড়ি ভাগ করতে সমস্যা হবে। কারণ পরাগ সেটা হতে দেবে না, আরে ভাগেও কম পড়বে। তাই এবার নিজের দাদাকে আরো একবার দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে ফেলে পলাশ আর প্রতীক্ষা। শিমুলের অনুপস্থিতিকেই তারা কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।
পলাশের কথায় আরো রেগে গেল শিমুল (Kar Kache Koi moner kotha Today Epidode 9 May)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মধুবালা শিমুলকে বোঝানোর চেষ্টা করে, পলাশ আর প্রতীক্ষা কোন দোষ করেনি। তারা যদি বিনা কারণে শাস্তি পায় তাহলে কি শিমুলের ভালো লাগবে? শিমুল বলে, কে কি করেছে আর কে কি করেনি সেটা সে খুব ভালো করেই জানে। তাই তার মনে হয় পুলিশের কাজটা পুলিশকেই করতে দেওয়া উচিত। এটা শুনে পলাশ মনে মনে বলে, এই কেসটা শিমুলকে তুলে নিতেই হবে। যদি সেটা না হয় তাহলে শিমুলের কপালে অনেক দুর্ভোগ লেখা রয়েছে।
পলাশ বলে ওঠে, শিমুল নাকি সমস্ত সম্পত্তি একা ভোগ করতে চাইছে। পলাশ আর প্রতীক্ষা না থাকলে তার সেটা করতে অনেক বেশি সুবিধা হবে। তাই এখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদেরকে বাড়িছাড়া করার চেষ্টা করছে শিমুল। ধারাবাহিকের নায়িকা মধুবালাকে জানায়, যদি তেমনটাই হয় তাহলে শিমুল পরাগকে নিয়ে অন্যত্র থাকতে রাজি আছে। কারণ এই সম্পত্তির ওপর বা এই বাড়ির ওপর তাদের কোন স্বার্থ নেই বা চাহিদাও নেই। এটা শোনার পর মধুবালা খুব ভয় পেয়ে যায় কারণ সে তার ছেলেকে ছেড়ে থাকতে পারবে না।
আরও পড়ুন: শ্যামলীকে ফাঁসিয়ে দিয়ে ভেসে গিয়েছিল কিঞ্জল! “তোমায় খুব মিস করছিলাম…” অনিকেতকে ভুলে পাল্টি খেল শ্যামলী
পরাগকে বিষ খাওয়ানোর চেষ্টা করলো প্রতীক্ষা
এরপর দেখা যায় শিমুল স্কুলে চলে গিয়েছে আর সেই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েই পরাগের ঘরে মুসুম্বি লেবুর জুস নিয়ে চলে এসেছে পলাশ আর প্রতীক্ষা। তারা এক প্রকার জোর জবরদস্তি করে পরাগকে ওই জুসটা খাওয়ানোর চেষ্টা করে কিন্তু পরাগ গ্লাসটা ছুঁড়ে ফেলে দেয়। পলাশ আর প্রতীক্ষা বুঝে যায় পরাগের হাতে পায়ে জোর ফিরে এসেছে। তাই এইবার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরাগকে সরিয়ে ফেলতে হবে। তাকে নানা রকম খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে বিষ খাওয়ানোর চেষ্টা করে তারা। আর এটা খুব ভালো করেই বুঝে যায় পরাগ।





