বদলে গেলো বিচারকের রায়! সব শুনে শিউরে উঠল পলাশ প্রতীক্ষা! অবশেষে ন্যায় বিচার পেল শিমুল?

বদলে গেলো বিচারকের রায়! সব শুনে শিউরে উঠল পলাশ প্রতীক্ষা! অবশেষে ন্যায় বিচার পেল শিমুল?

বর্তমানে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত বেশ বাস্তববাদী জনপ্রিয় ধারাবাহিকে পরিণত হয়েছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকে প্রধান নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন মানালি দে। শুরু থেকেই তার অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক মহল। তার চরিত্রটি অত্যন্ত সাহসী এবং হার না মানা মানসিকতা নিয়ে গড়ে উঠেছে। টিআরপিতে পড়ে গেলেও দর্শকদের মনে সর্বদা বিরাজ করছে এই মেগা।

সেই শুরুর দিন থেকেই শ্বশুরবাড়িতে পা রাখতে না রাখতেই নিজের প্রতিবাদী মানসিকতার জন্য সর্বদা শাশুড়ি স্বামী এবং দেওরের কাছে লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করতে হয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলকে। যতদিন গিয়েছে তত বেড়েছে এই যন্ত্রনা। তবে একটা সময়ের পর সবটাই বদলে গিয়েছে। পাল্টে গিয়েছে শাশুড়ি মা মধুবালা। পাল্টে গিয়েছে স্বামী পরাগ। তবে নিজেকে পাল্টাতে পারেনি পলাশ আর প্রতীক্ষা।

যদিও শিমুলের শাশুড়ি মা অর্থাৎ মধুবালা একজন অত্যন্ত স্বার্থপর এবং চরম অকৃতজ্ঞ মানুষ। এতবার এত রকম ভাবে সাহায্য করার পরেও শিমুলকে বারবার ভুল বুঝেছেন তিনি। প্রত্যেকবার শিমুলের উপর আসা বিপদে তার পাশে না থেকে উল্টে তাকেই দোষারোপ করেছে মধুবালা। তবে এইবার শিমুল জানিয়ে দিয়েছে, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার পর আর সে তার শাশুড়ি মাকে ক্ষমা করবে না।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পলাশ আর প্রতীক্ষা মারতে চেয়েছিল শিমুলকে। এরপর তারা এমন একজন উকিলকে এই কেসটা লড়তে বলে যে একেবারে পাকা খেলোয়ার। মিথ্যে বয়ান থেকে শুরু করে মিথ্যে সাক্ষী সবটাই জোগাড় করে ফেলে সে। এতকিছুর পরে শিমুলের জয় কিছুতেই সম্ভব ছিল না কারণ আদালত শুধুমাত্র প্রমাণ দেখে। মুখের কথার তার কাছে কোন দাম নেই।

আরও পড়ুন: মাকে খাবার দেওয়া বন্ধ করে দিলো অগ্নিজিৎ! স্বস্তিককে বাঁচাতে ছুটে গেল গীতা, ধরা পড়লো বিধান!

পাল্টে গেল বিচারকের রায়

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পরাগ এসে সমস্ত সত্যিটা জজ সাহেবের সামনে বলার পর বিচারক বেশ কিছুটা সময় নেয় ভাবনা চিন্তা করার জন্য। আর সেটা করে অবশেষে রায় ঘোষণার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন তিনি। রায় ঘোষণার আগে তিনি সকলকে বলেন, আগে যেটা নির্ধারণ করা হয়েছিল সেখান থেকে প্রায় পুরোটাই বদলে গিয়েছে এই মামলার রায়। যা শুনে রীতিমতো ফ্যাকাশে হয়ে যায় পলাশ আর প্রতীক্ষার মুখ।