শিমুলের চরম ক্ষতি করতে নোংরা দোষারোপ করলো প্রতীক্ষা! পুলিশের সামনেই তাকে মিথ্যেবাদী প্রমাণ করল মধুবালা!

যারা স্বার্থপর হয় তারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে সব কিছু করতে পারে। এর জন্য যদি তাদের কারো প্রাণও নিতে হয় সেখানেও পিছপা হয় না তারা। এটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। ধারাবাহিকটি প্রত্যেকদিন ভক্তদের সেইসব পরিস্থিতির সম্মুখীন করছে যেগুলি তাদের বাস্তবকে কাছ থেকে দেখাচ্ছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এই দুঃসময়ে তীর্থঙ্করকে বাঁচানোর জন্য যে যেভাবে পারছে শিমুলকে সাহায্য করছে। নিজের মেয়েকে ভিক্ষে করতে দেখে এই দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে মধুবালাও ঠিক করে সে তার সাধ্য মতো করবে। সে তার একমাত্র সম্বল এই বাড়িটাকে বন্ধক দেবে। কিন্তু তার এই সিদ্ধান্তের একেবারেই পক্ষপাতি ছিল না প্রতীক্ষা। তাই এবার মধুবালাকে আটকাতে অনেক বড় পদদ্ধেপ নিলো সে।

কার কাছে কই মনের কথা আজকের পর্ব ৭ জুন (Kar kache koi moner kotha Today Episode 7 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পুতুল তীর্থঙ্করকে বলে, “আমার বউ অনেক করছে তোমার জন্য। ও এদিক-ওদিক থেকে ১১ লক্ষ টাকা জোগাড় করেছে। আমিও গান গেয়ে এক লক্ষ টাকা জোগাড় করেছি। ওই ক্লাবে একজন গায়িকা এসেছিল। সে আমাকে গান গাওয়ার সুযোগ করে দেয় আর অনুষ্ঠানের অর্ধেক টাকা আমায় দেয়।” পুতুল এই কিছু দিনে এতটা বদলে গিয়েছে, এতটা বড় হয়ে গিয়েছে দেখে খুব ভালো লাগে তীর্থর। সে বুঝতে পারে, একজন যোগ্য মানুষকে নিজের জীবনে বেছে নিয়েছে সে।

পুলিশ নিয়ে ব্যাংকে হাজির প্রতীক্ষা

অন্যদিকে তীর্থঙ্করের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বাকি টাকাটা যোগাড় করার জন্য শিমুল পরাগ এবং মধুবালা তিনজন মিলে বাড়ি বন্ধক দেওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা করতে চলে আসে ব্যাংকে। সেখানে গিয়ে কথাবার্তা বলে তারা জানতে পারে এই গোটা প্রক্রিয়াটার জন্য একটু সময় লাগবে। সেই সময়টা তাদেরকে দিতে হবে। এরপর কাজ মিটলে শিমুল স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বলে ঠিক করে। আর ঠিক সেই সময় ব্যাংকে পুলিশ নিয়ে হাজির হয় প্রতীক্ষা।

আরও পড়ুন: ভিক্টরের চালে অচৈতন্য দীপা! সূর্যের ঘরে ঢুকে এলো ডাকাত! বিপদে পড়লো সোনা রুপা!

প্রতীক্ষা পুলিশকে বোঝায়, “এই শিমুল একজন বৃদ্ধ-অশিক্ষিত মানুষকে দিয়ে তার শেষ সম্বল তার বাড়িটা বন্ধক দেওয়ানোর ব্যবস্থা করছে। চিকিৎসার অছিলায় এই বাড়িটা হাতানোর তাল করছে। জোর করে ওই বৃদ্ধ মানুষটাকে দিয়ে এই কাজটা করাচ্ছে ওরা।” এরপর পুলিশ মধুবালাকে একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে মধুবালা স্পষ্ট জানায়, তার চোখ আছে কান আছে আর নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। সে তার মেয়ের কষ্ট চোখে দেখতে পাচ্ছিল না তাই জন্যই এমনটা করেছে। এখানে কারোর কিছু বলার থাকতে পারে না।