ধীরে ধীরে অন্তিম পর্বের দিকে এগিয়ে চলেছে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের এতটা অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। এই ধারাবাহিকটি প্রত্যেকদিন দর্শকদের সামনে সমাজের কঠিন বাস্তবগুলিকেই নানা রকম ভাবেই নাটকীয়তার মোড়কে উপস্থাপন করছে। এই ধারাবাহিককে প্রধান অভিনেত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন মানালি দে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে প্রত্যেকের জীবন। ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছিল যে চারজন অভিনেত্রীকে কেন্দ্র করে তাদের প্রত্যেকের জীবনেই এসেছে নতুন মোড়। শিমুল নিজের জীবনে সুখী, বিপাশা নিজেকে নিয়ে সুখী, সুচরিতাও একটি পরিপূর্ণ জীবনের দিকে এগোচ্ছে। এর মাঝে এলোমেলো হয়ে গিয়েছে শীর্ষার বিবাহিত জীবন।
কার কাছে কই মনের কথা আজকের পর্ব ২০ জুন (Kar kache koi moner kotha Today Episode 20 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শীর্ষাকে চরম অবিশ্বাস করে তার স্বামী এবং শাশুড়ি মা। তারা দুজনে মিলে শুধুমাত্র শীর্ষার দোষ খোঁজে। এই কঠিন দিনগুলোতে শীর্ষার পাশে না দাঁড়িয়ে, তাকে অপরাধী বানিয়ে কাঠগড়ায় তোলে। আর এই সমস্ত কিছু মেনে নিতে পারছে না শীর্ষা। তাই সে ঠিক করে আর ওই বাড়িতে সে থাকবে না। ব্যাগ পত্র গুছিয়ে নিয়ে বেরিয়ে আসে শীর্ষা। তাকে সাহায্য করতে সেখানে এসে উপস্থিত হয় শিমুল আর সুচরিতা।
শীর্ষা বলে, “আমি যখন বারবার বলেছিলাম আমি কিছু করিনি, কেউ আমার কথা শোনেনি। যখন বলেছিলাম পুলিশের কাছে যেতে, সেটাও যেতে চায়নি। তোমরা আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছো আমি কতটা একলা। তাই এবার আমি একলাই থাকতে পারবো।” শীর্ষা যেহেতু অনেকগুলো টাকা মাস শেষে শ্বশুরবাড়িতে দিয়ে দেয় তাই তার স্বামী এবং শাশুড়ি তাকে আটকানোর অনেক চেষ্টা করে কিন্তু শীর্ষা চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত অনড় থাকে।
আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তে দীপার হাত ফসকে পালিয়ে গেলো ইরা! ধরা পড়তে গিয়েও বেঁচে গেলো সে! নিজে ইরাকে বাঁচালো দীপা! কিন্তু কেন?
রেগে গেলো তীর্থঙ্কর
এদিকে তুতুলের আইবুড়ো ভাতের অনুষ্ঠানের সবাই এসে হাজির হয়। সেখানে পুতুল আবারো তার বাপের বাড়ির দেওয়া টাকা পয়সা সংক্রান্ত কথাবার্তা তুললে সেটা বেশ খারাপ লাগে তীর্থঙ্করের। কথাগুলো তার আত্মসম্মানে লাগে। সবাই মিলে বিষয়টা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তীর্থঙ্কর কিছুতেই কথাগুলো ভুলতে পারে না। সে ঠিক করে আগে সে টাকা পয়সা ফেরত দেবে তারপর বাকি কথা হবে। পুতুল তার রাগ ভাঙ্গানোর চেষ্টা করলেও তীর্থঙ্কর নিজের জেদে অনড় থাকে।





