ঝুলি থেকে বেরিয়ে পড়ল বিড়াল! যীশু-নীলাঞ্জনার বিচ্ছেদ নিয়ে বি’স্ফোরক রুদ্রনীল!

সম্প্রতি যীশু-নীলাঞ্জনার বিচ্ছেদের (Jisshu-Nilanjanaa divorce) গুঞ্জনে উত্তাল টলিপাড়া। ২০০৪ সালেই অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিকের বড় মেয়ে নীলাঞ্জনাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন যীশু। ২০ বছরের দম্পতি জীবনে অনেক কঠিন সময় পার করেছেন তারা। যীশু-নীলাঞ্জনা টলিপাড়ার অন্যতম পারফেক্ট জুটি। তবে তাদের মধ্যে হঠাৎ বিচ্ছেদের খবর শুনে স্বাভাবিকভাবেই মন প্রচণ্ড খারাপ তাদের অনুরাগীদের।

কয়েকদিন আগেই ডিহাইড্রেশনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন নীলাঞ্জনা। তবে পরে জানা যায় নার্ভাস ব্রেকডাউনের জন্য অসুস্থ হয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। তারপরেই সামনে এসে ডিভোর্সের চর্চা। নিজের নামের পাশে সেনগুপ্ত পদবী মুছে দেন তিনি। আর তার সঙ্গে যীশুর বেশ কিছু ছবিও সামাজিক মাধ্যম থেকে ডিলিট করে দেন নীলাঞ্জনা। সম্প্রতি মাকে হারিয়েছেন নীলাঞ্জনা। স্বামীর সঙ্গেও বিবাদের গুঞ্জন।

Trouble in Jisshu U Sengupta and Nilanjanaa's paradise?

সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট শেয়ার করে কী লিখেছেন নীলাঞ্জনা?

সমাজ মাধ্যমে নিজের সাদাকালো ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন “এই বছরটা খুবই অস্থির কেটেছে। একটার পর একটা হারানো, একটার পর একটা যুদ্ধ। তারপরও ইউনিভার্স আমায় শিখিয়েছে কিভাবে ভাঙা জিনিসও সুন্দর হয়ে ওঠে। দেখিয়েছে আমায় কারা ভালোবাসে। আমার হার্টবিট, আমার শক্তি স্তম্ভ, সারা, জারা আর চন্দনা।” বলাই বাহুল্য দুই মেয়ে আর বোনের নাম নিলেও যীশুর নাম নেননি তিনি। এই পোস্টে সারা লিখেছেন “তোমার জন্য আমার গর্ব হয় মা।”

যীশু-নীলাঞ্জনার বিচ্ছেদের প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ

অন্যদিকে বন্ধুর বিয়ের ভাঙার খবরে বিশ্বাস করছেন না রুদ্রনীল। অভিনেতা জানিয়েছেন “তৃতীয় ব্যক্তির জন্য নাকি যীশু-নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত বিয়ে ভাঙছে। এই যন্ত্রণাতেই নাকি আমার বন্ধুর বৌ আ’ত্মহত্যা করতে গিয়েছিল। আমি বিশ্বাস করছি না। একটুও পাত্তা দিচ্ছি না এই গুঞ্জনকে। কারণ আমি ওদের অনেক আগে থেকে চিনি। যখন ওরা যীশু সেনগুপ্ত-নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত হয়ে ওঠেনি, তখন থেকে। সেই জায়গা থেকে বলতে পারি, ওরা নিজে থেকে কিছু না বললে আমি কারও কোনও কথা শুনব না।”

Rudranil Ghosh | As Assembly Election nearing Tollywood getting heated up - Anandabazar

আরো পড়ুন: মিটে গেল ভুল বোঝাবুঝি! ক্ষমা চেয়ে সুধাকে বাড়িতে নিয়ে এলো তেজ!

অভিনেতার দাবি, “যে কোনও পেশার জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের নিয়ে মানুষের কৌতূহল অনেক। বিশেষ করে তাঁদের প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদ নিয়ে। সে রকমই একটি প্রশ্ন হয়তো কাকতালীয় ভাবে বিশেষ দিনে প্রকাশ্যে এসেছিল। এর বাইরে আর কিছুই নয়। যীশু সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায়নি। আজ অনেক পরিশ্রম করে এই জায়গায় পৌঁছেছে। সেই ছেলে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির জন্য বৌ, দুই মেয়েকে ছেড়ে চলে যাবে? বিশ্বাস করা সম্ভব? দুই মেয়ের জন্য কর্তা-গিন্নির কত আত্মত্যাগ। কত ব্যক্তিগত ভাল লাগা তারা ত্যাগ করেছে। দায়ে পড়ে নয়, সন্তানদের ভালোবেসে। সেই তারা সন্তানদের কথা না ভেবে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে! গুঞ্জন সত্যি হলে, আমরা অবশ্যই সমাধানের পথ খুঁজব। কারণ আমার বিশ্বাস, মানুষ কাচ নয়। তাই ভাঙলে জোড়া লাগবে না, এমন হতে পারে না। সংসারে অভিমান হবে আবার দূরত্ব কমেও যাবে। সত্যিই কিছু ঘটে থাকলে আলোচনায় আয়। দেখবি, সমাধান বেরোবে। আবার আগের মতো তোরা একসঙ্গে থাকবি, হাসবি। যেমন, আরও পাঁচটা বাড়িতে হয়। এই ক্ষেত্রে কিন্তু সাধারণ আর অসাধারণ আলাদা নয়।”