প্রেমে পড়ে মানুষ কত কিছুই না করে, ভালোবাসার মানুষকে কাছে পাওয়ার জন্য অনেক দুঃসাধ্য কাজও করে অনেক সময় সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে অভিনেতা অভিনেত্রীরা (Actor-Actress)। এমন হাজার হাজার উদাহরণ আমাদের চারিপাশে ছড়িয়ে রয়েছে। বলিউড, টলিউড সহ সকল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই এই ধরনের অনেক উদাহরণ রয়েছে। প্রেমে পড়ে কেউ দ্বিতীয়বার বিয়ে করতেও দুবার ভাবেননি। নিজের প্রাক্তনকে ছেড়ে দ্বিতীয়বার বিয়ে করতেও দুবার ভাবেন। ধর্ম পরিবর্তন করতেও দুবার ভাবেনি। এমনকি কাছের মানুষজনদের ছেড়ে ভালোবাসার মানুষের কাছে এক টানে ছুটে গিয়েছে এমন অনেকেই রয়েছে।
সেরকমই এক জনপ্রিয় অভিনেতা ভালোবাসার টানে নিজের ধর্ম পরিবর্তন করেছেন। নিজের ধর্ম পরিবর্তনের পর করেছিলেন দ্বিতীয় বিয়ে। ভিন্নধর্মের দুজন মানুষ হওয়ার কারণে তাদের মাঝে কিছু বাধা এসেছিল। সেই বাধাকে কাটিয়ে দিতে ধর্ম পরিবর্তনে সিদ্ধান্ত নেয় অভিনেতা। জীবনের এত বড় সিদ্ধান্ত নিতেও দুবার ভাবেননি তিনি।
ধর্ম পরিবর্তন করে তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং যার কারণে তাদের নামও পরিবর্তন করতে হয়। হিন্দিতে একটা জনপ্রিয় গানের লাইন রয়েছে ‘যব প্যায়ার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া’? এই লাইনটি অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেছিল এই দুজনের ক্ষেত্রে। দুজনেই হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী। একাধিক সুপার হিট ছবি রয়েছে তাদের ঝুলিতে।
আসলে এই প্রেমের গল্প বলিউডের ধর্মেন্দ্র এবং হেমা মালিনীর। হেমাকে বিয়ে করার জন্য নাকি নিজের ধর্মও অনায়াসে ত্যাগ করে দেন ধর্মেন্দ্র। হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী, যেহেতু বিবাহিত অবস্থায় নারী বা পুরুষ অন্য বিবাহে লিপ্ত হতে পারেন না, সেই কারণে তারা নাকি ধর্মই পাল্টে ফেলেছিলেন রাতারাতি। গ্রহণ করেছিলেন ইসলাম ধর্ম। ইসলাম ধর্মাবলম্বী পুরুষ একই সময়ে ৪টি বিবাহ করতে পারেন। তাই হেমাকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে প্রকাশ কর বিচ্ছেদ না দিলেও অসুবিধে হয়নি ধর্মেন্দ্রর।

ধর্মান্তরিকরণের কারণে দুটি নতুন নাম নিতে হয় তাঁদের। ধর্মেন্দ্রের নতুন নাম হয় দিলওয়ার খান। অন্যদিকে হেমার নতুন নাম হয় আয়সা। পরবর্তীকালে অভিনেতা অভিনেত্রী কেউই এই দু’টি নাম ব্যবহার করেননি। এমনকি ইসলাম ধর্ম পালন করতেও দেখা যায়নি তাঁদের। বহু দিনের বিবাহিত জীবন তাঁদের। বর্তমানে তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে সৎ ছেলেদের সঙ্গেও সম্পর্ক বেশ ভালো হেমা মালিনীর। বর্তমানে যদিও ধর্মেন্দ্র দুই স্ত্রীর সঙ্গেই সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।





