প্রেমের সপ্তাহ মানেই চারদিকে ভালোবাসার আবহ, আর সেই আবহেই টেলিপাড়ার অন্যতম আলোচিত জুটি এখন আরাত্রিকা এবং অভিষেক। জনপ্রিয় ধারাবাহিক জোয়ার ভাঁটা-তে উজি ও ঋষির অনস্ক্রিন রসায়ন দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। তাঁদের চোখের ভাষা আর আবেগঘন মুহূর্তগুলো দেখে অনেকেই ভাবছেন, এই সম্পর্ক কি শুধুই পর্দায় সীমাবদ্ধ, নাকি বাস্তবেও শুরু হয়েছে নতুন গল্প। ভ্যালেন্টাইনস ডে ঘিরে সেই কৌতূহল যেন আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতেই নিজের মনের কথা অকপটে জানালেন আরাত্রিকা।
এই প্রসঙ্গে এক সংবাদ মাধ্যমের সামনে আরাত্রিকা একেবারেই নির্ভেজাল স্বীকারোক্তি করেন। তাঁর মতে, ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে তিনি খুব একটা আবেগপ্রবণ নন। বরং প্রেমের সপ্তাহ তাঁর কাছে কাজ আর বিশ্রামের সময়। তিনি মজা করেই বলেন, কখনও এই দিনটি আলাদা করে উদযাপন করেননি। তবে কেউ যদি ভালোবেসে গোলাপ দেয়, তাতে আপত্তি নেই। নিজের সম্পর্কের অবস্থান নিয়ে তিনি স্পষ্ট, তিনি এখনও সম্পূর্ণ সিঙ্গল এবং জীবনে বিশেষ কেউ নেই।
অভিষেকের সঙ্গে সম্পর্কের জল্পনা নিয়েও তিনি সরাসরি কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, দুজনেই সিঙ্গল বলেই মানুষ তাঁদের নিয়ে কল্পনা করতে ভালোবাসে। দর্শকরা পর্দার রসায়ন দেখে বাস্তবেও সেই সম্পর্ক দেখতে চান। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের কমেন্ট আর অনুরোধ তাঁকে আনন্দ দেয়। অনেকেই নাকি সরাসরি বলেন, তাঁরা যেন প্রেম করেন বা বিয়ে করেন। আরাত্রিকার মতে, দর্শকের এই আবেগ আসলে তাঁদের অভিনয়েরই স্বীকৃতি।
বন্ধুত্বের গল্পটাও বেশ মিষ্টি। আরাত্রিকা জানিয়েছেন, তাঁদের পরিচয় আজকের নয়, বহুদিনের। একই এলাকায় থাকতেন দুজনেই, প্রায়ই দেখা হত এক দোকানে চিকেন পকোড়া কিনতে গিয়ে। সেখান থেকেই আলাপ, তারপর বন্ধুত্ব। একই সময়ে কেরিয়ার শুরু করা আর সমবয়সী হওয়ায় তাঁদের বোঝাপড়া দ্রুত তৈরি হয়। ফলে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনও অস্বস্তি হয়নি, বরং স্বাভাবিক বন্ধুত্বই তাঁদের সম্পর্ককে আরও সহজ করেছে।
আরও পড়ুনঃ প্রথম প্রেম নাকি শেষ প্রেম? কোনটা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে তৃণার কাছে? ভ্যালেন্টাইনস ডে-র বিশেষ র্যাপিড ফায়ারে সব গোপন তথ্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রী তৃণা সাহা!
তবে বাস্তব জীবনে প্রেমের বিশেষ কোনও পরিকল্পনা আপাতত নেই। ভ্যালেন্টাইনস ডে কাটবে শুটিং আর নিজের মতো সময় কাটিয়েই। জীবনে স্পেশাল কেউ না থাকলেও, দর্শকদের ভালোবাসাকেই তিনি সবচেয়ে বড় উপহার বলে মনে করেন। অনস্ক্রিন রসায়ন যে মানুষের হৃদয়ে এতটা জায়গা করে নিয়েছে, সেটাই তাঁর কাছে সাফল্যের প্রমাণ। ভবিষ্যতে সম্পর্কের সমীকরণ বদলাবে কি না, তা সময়ই বলবে।





