বাংলা টেলিভিশনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক বলতে গেলে যার নাম এই মুহূর্তে সবচেয়ে প্রথমে আসে সেটি হল জি বাংলার ‘মিঠাই’। অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডু এবং অভিনেতা অদ্রিত রায়ের জুটি দর্শক মহলে এত বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে এখন তাদেরকে রীতিমতো ঘরের ছেলেমেয়ে মনে করেন সকলের। সেই সঙ্গে দু বছরের বেশি সময় ধরে টিভির পর্দায় মিঠাই ধারাবাহিক দর্শকদের মনে রাজ করে যাচ্ছে। মিঠাই সিদ্ধার্থর জুটির সঙ্গে গোটা মোদক পরিবার সকলকে টিভির পর্দায় একসঙ্গে দেখতে বাংলা টেলিভিশনের দর্শক খুব পছন্দ করে তা বলাই বাহুল্য।
তবে বর্তমানে মোদক পরিবার ছাড়াও বেশ কিছু চরিত্র যুক্ত হয়েছে এই ধারাবাহিকের সঙ্গে যার প্রথমেই রয়েছে মিঠাইয়ের মতো দেখতে মিঠি। আর এই মুহূর্তে ধারাবাহিকে চলছে মিঠির বিয়ের ট্র্যাক। যারা এই ধারাবাহিকের নিয়মিত দর্শক তারা প্রত্যেকেই জানেন যে মিঠির বাবা জোর করে তার সঙ্গে একটি ঠক ছেলের বিয়ে দিচ্ছিল। হল্লা পার্টি গিয়ে সেই বিয়ে আটকে দেয়। আর উল্টো দিকে ডাক্তার রোহিত মিঠিকে বিয়ে করতে চায় সেই শুনে রোহিতের সঙ্গে মিঠির বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে।
এখন মোদক পরিবার ছাড়া মিঠির সংসার নিয়েও মেতে রয়েছে গোটা হল্লা পার্টি। ডাক্তার রোহিতের মা চাইতেন এক অন্য মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে দিতে। কিন্তু সেই জায়গায় মিঠির সঙ্গে ডক্টর রোহিতের বিয়ে দিয়ে দেয় সিদ্ধার্থরা। এখন মিঠি কি করে সংসার করে সেই নিয়েই জমে উঠেছে মিঠাই ধারাবাহিক। দর্শকরা সকলেই জানেন যে মিঠি মনে মনে সিদ্ধার্থকে পছন্দ করে। আর সেটা ডাক্তার রোহিত জানেন কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি মিঠিকে ভালবাসেন।
এখন বিয়ের পরে কী করে মিঠি সংসার করবে সেই নিয়ে নাজেহাল ডাক্তার রোহিত সেই সঙ্গে উল্টো দিকে রয়েছে তার মা। সম্প্রতি পর্বে দেখা যাবে মিঠির সঙ্গে মিঠাই ফোনে কথা বলছে সেখানে মিঠি জানায় রোহিতের মা তাকে নানা রকম কথা শোনাচ্ছে। আর তখনই মিঠাই তাকে বুদ্ধি দেয় যে একটু শাশুড়ির সেবা যত্ন করতে যার জন্য সে যেন তাকে রান্না করে খাওয়ায়। আর তখনই মিঠির মাথায় একটা বদমাইশি বুদ্ধি আসে। সে যেমন নফর দাসকে রান্না করে খাইয়েছিল সেইরম রান্না করতে উদ্যত হয়।
আর মনে মনে বলে যে তার রান্না খেয়ে রোহিতের মা আর এই বাড়িতে ঘন ঘন আসার চিন্তাভাবনা করবে না। কারণ যদি তার মা এই বাড়িতে বারবার আসে তাহলে সে রোহিতকে শক্ত করে গড়ে তুলতে পারবে না। মিঠির কথায়, “আমার হাতের রান্না খেয়ে আর এখানে নজরদারি করতে আসার কথা মনেই হবে না আপনার…….আপনার ছেলেকে তো একটু ডাকাবুকু তৈরি করতে হবে আমাকে নাকি!….এরুম কনফিউজড নার্ভাস হয়ে তো থাকতে পারবে না আর আপনি নজরদারি করলে সেটা পসিবল ও না সেটা ম্যাম।”





