কয়েক মাস আগেই কলকাতার এক মেট্রো স্টেশনে প্রেমিক যুগলের ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত দেখে রীতিমতো উত্তাল হয়েছিল নীতি পুলিশ। জনসমক্ষে চুম্বন! এটা কি চলে? সামাজিক শালীনতা নিয়ে তখন প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। কিন্তু সেই নীতি পুলিশদের চোখ কি এবার ঘুরে গেল বলিউডের সদ্যবিবাহিত তারকা দম্পতি সোনাক্ষী সিন্হা ও জ়াহির ইকবালের দিকে?
হ্যাঁ, সুইৎজ়ারল্যান্ডের ট্রেনে বসেই একে অপরের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেমে মেতেছেন সোনাক্ষী-জ়াহির। কখনও চুম্বন, কখনও আলিঙ্গন, তো কখনও ট্রলি ব্যাগের উপর বসে দুষ্টু-মিষ্টি খুনসুটি—সবই ধরা পড়েছে তাঁদের শেয়ার করা ছবিতে। আর এই সব দেখে একটুও চটলেন না কেউ, বরং মুগ্ধ অনুরাগীরা বলছেন—“এই তো আদর্শ দম্পতি!”
সুইৎজ়ারল্যান্ডে ছুটি কাটাচ্ছেন নবদম্পতি। সোনাক্ষীর পরনে ডেনিম প্যান্ট, নীল সোয়েটার আর কালো জ্যাকেট। পাশে গোলাপি প্যান্ট আর ঘিয়ে টি-শার্টে চেনা হাসি মুখে জ়াহির। ট্রেন সফরের মাঝেই কখনও সোনাক্ষী মাথা রেখে বসে রয়েছেন জ়াহিরের কাঁধে, তো কখনও হাসিঠাট্টায় ব্যস্ত তাঁরা।
তাঁদের মতে, সুইস ট্রেনে ভ্রমণ বেশ আরামদায়ক, প্রায়ই নাকি এই সফর করেন। আর অনুরাগীদের কাছে তাঁদের এই খুনসুটি-ভরা সম্পর্কই যেন সবচেয়ে প্রিয়। বিশেষ করে জ়াহিরের মশকরা আর সোনাক্ষীর হাসি—এই বন্ধুত্বই ভালোবাসার ভিত বলে মনে করছেন অনেকেই।
আরও পড়ুনঃ ‘মনে হচ্ছিল জ্ঞান হারাব’, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ ছেড়ে হঠাৎ বেরিয়ে যান শতাব্দী ! সভা ত্যাগ করেছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা! কিন্তু কেন?
প্রেমে সাত বছর একসঙ্গে থাকার পর, অবশেষে গত ২৩ জুন আইনি বিয়ে সারেন সোনাক্ষী ও জ়াহির। কোনও ধর্মীয় আচার নয়, বরং একেবারে সাদামাটা কিন্তু হৃদয়ভরা প্রীতিভোজেই উদ্যাপন করেন নতুন জীবন। শোনা যায়, ধর্মের ফারাক নিয়ে প্রথমে পরিবার আপত্তি জানিয়েছিল, কিন্তু প্রেম জিতে গেছে সব বাধা।
এবার প্রশ্ন—যদি সাধারণ কেউ ট্রেনে এমনভাবে প্রকাশ্যে ভালোবাসা দেখান, তাঁকে নিয়ে এত কটাক্ষ হয়, তাহলে তারকাদের বেলায় অন্য নিয়ম কেন? নাকি ভালোবাসার প্রকাশের ক্ষেত্রেও জনপ্রিয়তা একটা ঢাল হয়ে দাঁড়ায়? আপনার কী মত?





