চোখের নিমিষে গায়েব আংটি থেকে ঘড়ি! জিনিস সরিয়ে ফেলার স্বভাব ছিল অক্ষয়ের! কি বললেন অভিনেতা?

চোখের নিমেষে আংটি-ঘড়ি চুরি করে নেওয়ার কায়দা নাকি অক্ষয়ের হাতের খেল! সম্প্রতি এক প্রোমোতে নিজেই স্বীকার করলেন খিলাড়ি কুমার। বলিউডে যাঁকে ‘অ্যাকশন হিরো’ হিসেবে সবাই চেনে, সেই তারকার মুখেই এমন স্বীকারোক্তি শুনে দর্শকের চমকে ওঠা স্বাভাবিক। তবে তাঁর এই খুনসুটি ভরা স্বভাব আবারও প্রমাণ করল, গম্ভীরতার আড়ালে অক্ষয় আসলে দারুণ মজাদার মানুষ।

‘আপ কি আদালত’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। উপস্থাপক রজত শর্মা তাঁকে প্রশ্ন করতে করতে হঠাৎই পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। শোনা যায়, সেটে সহ-অভিনেতা বা ক্রু মেম্বারের সঙ্গে করমর্দন করলে মুহূর্তে অক্ষয় তাদের আংটি বা ঘড়ি খুলে নিতে পারেন। এমনকি অভিযোগ উঠেছিল, নাকি তাঁর কাছ থেকে সামনাসামনি কিছু বাঁচিয়ে রাখা দায়!

প্রশ্ন শুনে গম্ভীর না হয়ে উলটে হাসিতে ফেটে পড়েন অক্ষয়। অকপটভাবে জানিয়ে দেন, ‘হ্যাঁ, পারি। চাইলে আপনারও ঘড়ি খুলে নিতে পারব।’ খিলাড়ির এই খোলামেলা উত্তর মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও এটা যে নিছকই মজার ছলে বলা, তা দর্শক বুঝতে সময় নেয়নি।

তবে রজতের পরের প্রশ্নে হাসির রোল পড়ে যায় পুরো সেটে। তিনি জানতে চান, কখনও কি নিজের স্ত্রীর হাত থেকেও ঘড়ি খুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন অক্ষয়? অভিনেতা না হেসে পারেননি। সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘যদি ওটা করি, তাহলে আমার বউ-ই আমার প্রাণ কেড়ে নেবে।’ কথাটা শোনামাত্র দর্শক ও অতিথিরা তুমুল হাসিতে ফেটে পড়েন।

অক্ষয়ের জীবনের গল্পে এমন মজার দিক বারবার সামনে এসেছে। পড়াশোনায় আগ্রহ না থাকলেও মার্শাল আর্ট শিখে শুরু করেছিলেন ক্যারিয়ার, পরে মডেলিং করে প্রথম উপার্জন ২১ হাজার টাকা। সেখান থেকেই ধাপে ধাপে বলিউডের শীর্ষ নায়ক হয়ে ওঠা। আজও নিজের সহজ-সরল রসিকতায় প্রমাণ করেন, তারকা খ্যাতি পেলেও ভিতরে তিনি একেবারেই মাটির মানুষ।