বলিউডের ‘খিলাড়ি’ Akshay Kumar পর্দায় যতটাই নির্ভীক, বাস্তব জীবনেও ততটাই সংগ্রামের সাক্ষী। অসংখ্য স্টান্ট আর অ্যাকশন দৃশ্যের মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করলেও তাঁর জীবনে এমন এক মুহূর্ত এসেছিল, যখন সবকিছুই থমকে গিয়েছিল। সম্প্রতি তাঁর নতুন ছবি ‘ভুত বাংলা’-র প্রচারে এসে অভিনেতা শোনালেন ছোটবেলার এক ভয়ঙ্কর অথচ অলৌকিক অভিজ্ঞতার কথা, যা আজও তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলে রেখেছে।
অক্ষয়ের কথায়, তাঁর জন্মের আগেই তাঁর বাবা মা Vaishno Devi Temple-তে গিয়ে সন্তানের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন। পরে ছোট্ট অক্ষয়কে নিয়েই তাঁরা আবার সেখানে দর্শনে যান। আনন্দে ভরা সেই যাত্রাই হঠাৎ করেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। পাহাড়ি পথ পেরিয়ে মন্দিরের দিকে ওঠার সময় আচমকাই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি, যা পরিবারের কাছে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা হয়ে দাঁড়ায়।
১৯৬৯ সালের সেই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে অক্ষয় জানান, হঠাৎ করেই তাঁর জ্বর ১০৩ থেকে ১০৪ ডিগ্রিতে পৌঁছে যায় এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। স্থানীয় চিকিৎসকরা পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে দ্রুত দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু সেই সময়ে দুর্গম পাহাড়ি পথ পেরিয়ে দ্রুত শহরে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব ছিল। পরিবার তখন সম্পূর্ণ দিশেহারা অবস্থায় দাঁড়িয়ে, কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না।
ঠিক সেই সময়েই তাঁর মা এক দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বিশ্বাস রেখেছিলেন দেবীর উপর এবং বলেন, যে শক্তি সন্তান দিয়েছেন, তিনিই তাকে রক্ষা করবেন। অচেতন শিশুকে কোলে নিয়েই তাঁরা মন্দিরের দিকে এগিয়ে যান। সেখানে পৌঁছে অঝোরে প্রার্থনা করতে থাকেন তাঁর বাবা মা। সেই আবেগঘন মুহূর্তে ঘটে যায় এমন এক ঘটনা, যা আজও তাঁদের কাছে অলৌকিক বলেই মনে হয়।
আরও পড়ুনঃ মেয়ের হাত ধরে ওটিটি-তে ডেবিউ করছেন অপর্ণা সেন, রোল রিভার্সাল! কঙ্কনার পরিচালনায় অভিনয়ে ফিরলেন অপর্ণা সেন!
অক্ষয়ের কথায়, মন্দিরে এক অজানা ব্যক্তি এসে তাঁর বাবার সঙ্গে কথা বলেন এবং ঠিক সেই সময়েই তাঁর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে যায়। কিছুক্ষণ আগেও যে শিশু নিস্তেজ হয়ে ছিল, সে আবার স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। এই অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে এক গভীর বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, Priyadarshan-এর পরিচালনায় ‘ভুত বাংলা’ ছবিতে Tabu, Paresh Rawal, Rajpal Yadav এবং Asrani-এর সঙ্গে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন অক্ষয়, যা মুক্তি পাবে ১৬ এপ্রিল ২০২৬-এ।





